বাংলাদেশ এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে উত্তরণের পরও যুক্তরাজ্য তার শুল্কমুক্ত বাজারে বাংলাদেশের প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন। গতকাল সোমবার ঢাকায় ফ্রেডরিখ-এবার্ট-স্টিফটাং বাংলাদেশের সহযোগিতায় সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘মিট দ্য অ্যাম্বাসেডর’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।
বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শহিদউল্লাহ আজিমের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাজ্যের শুল্কমুক্ত বাজারে প্রবেশাধিকার অব্যাহত থাকবে। ব্রিটিশ সরকার বিদ্যমান জিএসপি ব্যবস্থার স্থলে ‘ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিম’ নামে একটি নতুন স্কিম ঘোষণা করেছে। নতুন স্কিম অনুযায়ী, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ পণ্য শুল্কসুবিধা পাওয়ার যোগ্য হবে।
অনুষ্ঠানে শহিদউল্লাহ আজিম বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্যস্থল। গত ২০২১-২২ অর্থবছরে যুক্তরাজ্যে ৪ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে এবং গত কয়েক দশক ধরে দেশ দুটির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, যেহেতু শিল্প-পরবর্তী প্রবৃদ্ধি ধাপে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, তাই আমরা আমাদের ব্যবসায়িক সক্ষমতা বাড়াতে শিল্পের অগ্রাধিকারগুলো নির্ধারণ করেছি, বিশেষ করে পণ্যের বৈচিত্র্যকরণ, উদ্ভাবন, প্রযুক্তির আপগ্রেডেশন এবং হাই-এন্ড টেক্সটাইল খাতে বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দিয়েছি।
তিনি নতুন স্কিমের জন্য ব্রিটিশ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এটি বাংলাদেশকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাণিজ্য বাড়াতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের উন্নয়নে ব্রিটিশ সরকারের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা আগামী বছরগুলোতেও অব্যাহত থাকবে ।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের চেয়ারম্যান ড. মঞ্জুর এ চৌধুরী, নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান এবং ফ্রেডরিখ-এবার্ট-স্টিফটাং বাংলাদেশের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর সাধন কুমার দাস।
