পাঁচ দশক আগে বলিউডের বড়পর্দায় একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল অমিতাভ বচ্চন এবং জয়াকে। ১৯৭২ সালে মুক্তি পাওয়া 'বংসী অওর বিরজু' ছবিতে দুজনে অসামান্য অভিনয় করেন।
অমিতাভ-জয়া দুজনেই অভিনয়জগতে শীর্ষে থাকা বলিউড তারকাদের অন্যতম। 'সিলসিলা', 'শোলে', 'অভিমান' থেকে শুরু করে 'কাভি খুশি কাভি গাম'- প্রতিটি ছবিতেই এই দম্পতি দুর্দান্ত অভিনয়দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।
'কি অ্যান্ড কা' ছবিতে দুজনকে শেষ অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে। ২০১৬ সালের পর আর বড় পর্দায় অমিতাভ এবং জয়াকে একসঙ্গে অভিনয় করতে দেখা যায়নি।
বিভিন্ন বিশ্বস্ত সূত্রে জানায়, বর্তমানে এদের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৩৪৫৬ কোটি রুপি।
২০১৮ সালে জয়া বচ্চন নির্বাচন কমিশনে যে হলফনামা জমা দিয়েছিলেন, তাতে দুজনের মোট হাজার কোটি টাকার সম্পত্তির হিসাব দেখানো হয়েছিল। স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৫৪০ কোটি টাকা। ৪৬০ কোটি টাকা অস্থাবর সম্পত্তির কথা বলা হয়েছিল।
সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, অমিতাভ প্রতি মাসে ৩০ কোটি উপার্জন করেন। জয়ার মাসিক আয় ৩৫ লাখ। 'কৌন বনেগা ক্রোড়পতি' অনুষ্ঠানের প্রতিপর্বের জন্য চার কোটি টাকা নেন অমিতাভ। প্রতিছবিতে কাজ করার জন্য তিনি ছয় কোটি টাকা পারিশ্রমিক পান। 'ব্রহ্মাস্ত্র'তে অভিনয়ের জন্য অমিতাভ নিয়েছেন ১০ কোটি রুপি।
মুম্বাইয়ের 'জলসা' ছাড়াও আরও পাঁচটি বাংলো রয়েছে বচ্চন দম্পতির। প্রতিটি বাংলোর মূল্য ৩২ কোটির কাছাকাছি। আন্ধেরিতে অমিতাভের যে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে, তা সম্প্রতি অভিনেত্রী কৃতি শ্যাননকে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। প্রতিমাসে ১০ লাখ ভাড়া দিতে হয় অভিনেত্রীকে। দিল্লির গুলমোহর পার্কে একটি বাড়িও ছিল অমিতাভের। ২০২২ সালের প্রথম দিকে ২৩ কোটির বিনিময়ে তিনি বাড়িটি বিক্রি করে দেন। এ ছাড়াও ভোপাল, দিল্লি, গুজরাত, পুনে ও মুম্বাইয়ে জমিও কিনে রেখেছেন অমিতাভ-জয়া। উত্তর প্রদেশের দৌলতপুর এলাকায় তিন একর জমি কিনেছেন অমিতাভ। এই জমির মূল্য ৫.৭ কোটি। লখনউয়ের কাকোরি এলাকায় একটি চাষযোগ্য জমির মালিক জয়া বচ্চন। ১.২২ একর এই জমির মূল্য ২.২২ কোটি।
ফ্রান্সের ব্রিগনোগান-প্লেগেও কোটি টাকা মূল্যের ৩,১৭৫ বর্গমিটারের একটি বিলাসবহুল বাংলো রয়েছে 'বিগ-বি'র। এ ছাড়া ৬২ কোটি রুপির মূল্যের সোনার গয়না রয়েছে অমিতাভপত্নীর।
জয়া বচ্চনের একটি ঘড়ির মূল্য ৫১ লাখ টাকা। অমিতাভের যতগুলো ঘড়ি রয়েছে, তার মোট মূল্য ৩.৪ কোটি টাকা। বচ্চন-দম্পতির সংগ্রহে এমন একটি পেন রয়েছে যার মূল্য ৯ লাখ টাকা। অমিতাভ ও জয়ার সংগ্রহে রয়েছে নামি ব্র্যান্ডের বহুমূল্য গাড়িও। মার্সিডিজ বেঞ্জ, পোরশে, রোলস রয়েস-সহ মোট ১২টি কোটি-মূল্যের গাড়ি।
