খুদ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ভারত। এ ছাড়া বাসমতি ছাড়া অন্য চালে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। তবে এর মধ্যে সেদ্ধ চাল নেই। গতকাল শুক্রবার থেকে দেশটি এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে। ভারতের সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমস ও বাংলাদেশের হিলির ব্যবসায়ীদের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
গতকাল ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খুদ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার আগে জাহাজ বোঝাই হয়ে থাকলে, শিপিং বিল জমা দেওয়া হলে অথবা ভারতের বন্দরে জাহাজ পৌঁছে থাকলে, তাদের রোটেশন নম্বর দেওয়া হলে এবং খুদের চালান কাস্টমসের কাছে হস্তান্তর করা হলে সে ক্ষেত্রে আদেশ কার্যকর হবে না।
ইকোনমিক টাইমস জানায়, খরিপ মৌসুমে ভারতের কয়েকটি এলাকায় ধান উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম হওয়ায় অভ্যন্তরীণ সরবরাহ ঠিক রাখতে দেশটির সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে।
আমাদের হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি হিলি স্থলবন্দরের সিআ্যন্ডএফ এজেন্ট রাশেদুল ইসলামের বরাত দিয়ে জানান, এতদিন ভারত শুল্কমুক্ত পণ্য হিসেবে চাল রপ্তানি করে আসছিল। কিন্তু গতকাল রাতে ভারতীয় সিআ্যন্ডএফ ব্যবসায়ীরা চাল রপ্তানিতে ২০ ভাগ শুল্ক আরোপের বিষয়টি মোবাইল ফোনে তাদের জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে নতুন এ শুল্ক গতকাল শুক্রবার থেকেই কার্যকর বলে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে তাদের জানানো হয়েছে বলে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।
হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, দুই দফায় কমিয়ে সরকার চালের আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করে। এরপর থেকে বন্দর দিয়ে চালের আমদানি যেমন বেড়েছে তেমনি চালের মূল্য কেজিপ্রতি ৪-৫ টাকা করে কমে আসছিল। কিন্তু এর মধ্যেই ভারত সরকার এ ঘোষণা দিয়েছে। তিনি বলেন, ভারত চাল রপ্তানি বন্ধ করেনি।
