জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ৬০ কোটি মার্কিন ডলার বাজেট সহায়তা দেবে বলে আশা করছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। যদিও এটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি, আলোচনা পর্যায়ে রয়েছে। গতকাল সোমবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে জাইকার আবাসিক প্রতিনিধি ইয়ো হায়াকাওয়া বিদায়ী সাক্ষাৎ শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। নতুন জাইকা ইচিগুচি টমোহাইড এক সপ্তাহ আগে দেশে যোগদান করেছেন। তিনিও মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
এম এ মান্নান বলেন, ‘সরকার বাজেট সহায়তা চেয়ে কিছু আভাস দিয়েছে। এটা প্রক্রিয়াধীন আছে, আগামীতে ইতিবাচক বলে মনে হয়েছে। তবে তাদেরও কিছু আইনকানুন আছে, এগুলো মেনেই কাজ করতে হবে। আমার বিশ^াস, সব প্রক্রিয়া শেষে আমরা বাজেট সহায়তা পাব। বিষয়টি নিয়ে কাজ করবে ইআরডি। আশা করছি, জাইকা আমাদের ৬০ থেকে ৭০ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা দেবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আড়াইহাজারে জাপানি অর্থায়নে ইকোনমিক জোন হচ্ছে। এখানে কাজ করতে চায় জাইকা। এটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, প্রকল্পটি দ্রুত একনেক সভায় উঠবে। মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুতে জাপান কাজ করছে। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে জাইকা কাজ করতে ইচ্ছুক। আমাদের নৌবন্দর, অবকাঠামো খাতে জাইকা বেশি কাজ করতে চায়।’
জাইকার বিদায়ী আবাসিক প্রতিনিধি ইয়ো হায়াকাওয়া বলেন, ‘তিন বছরে নানা খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে আমি নিবিড়ভাবে কাজ করেছি। বাংলাদেশের অর্জন সত্যিই বিস্ময়কর। এখানে দীর্ঘ দিন কাজ করে আমার মনে হয়েছে সব খাতে বাংলাদেশ ভালো করছে। করোনা সংকট মোকাবিলাসহ নানা খাতে বাংলাদেশের অর্জন বিস্ময়কর।
জাইকার নতুন আবাসিক প্রতিনিধি ইচিগুচি টমোহাইড এক সপ্তাহ আগে যোগ দিয়েছেন। গতকাল মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি বলেন, ‘আমি কিন্তু বাংলাদেশে নতুন নই, ১০ বছর আগে থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করছি। বাংলাদেশের নানা মেগা প্রকল্পে আমি কাজ করেছি। জাপান ডেস্কে বসেই মেট্রোরেল, মেঘনা-গোমতী-কাঁচপুর সেতু, মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে আমি অবদান রেখেছি। সুতরাং আমার কিছু পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার।’
