সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি এই সফরে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করবেন।
আমিরাতের সঙ্গে রাশিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সমস্যা এবং অভিন্ন স্বার্থের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
রাশিয়ান ফেডারেশন বা সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে। দুই দেশের সম্পর্ককে বরাবরই দৃঢ় ও ‘কৌশলগত অংশীদারিত্বের’ সম্পর্ক হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
সূত্রের বরাত দিয়ে আলজাজিরা বলছে, সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন ওপেক এবং সংস্থাটিতে রাশিয়ার মিত্রদের তেল উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে রিয়াদ এবং আবুধাবিসহ ঐতিহ্যবাহী উপসাগরীয় মিত্রদের মধ্যে সম্পর্ককে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।
হোয়াইট হাউস গত সপ্তাহে ইঙ্গিত দিয়েছে, তারা সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক পর্যালোচনা করছে। কারণ জ্বালানি মূল্যের ওপর ওপেকের নিয়ন্ত্রণ কমানোর উপায় খুঁজছে ওয়াশিংটন।
তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি মন্ত্রী সুহেল আল-মাজরুই বলেছেন, তেলের উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত ছিল প্রযুক্তিগত, রাজনৈতিক নয়।
অবশ্য নভেম্বরের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে পেট্রোলের দাম কম রাখার আশায় ওপেকের এই সিদ্ধান্ত ঠেকাতে বেশ জোরেশোরে চেষ্টা করে বাইডেন প্রশাসন। কারণ যুক্তরাষ্ট্রে তেলের দাম বাড়লে সেটির প্রভাব নভেম্বরের নির্বাচনের ওপর পড়তে পারে এবং এতে করে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের ডেমোক্র্যাটিক পার্টি।
