দক্ষতার অভাবে বিকাশ হচ্ছে না নতুন ‘স্টার্টআপ’

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২২, ১২:২১ এএম

প্রতি বছর কমপক্ষে ২০০ স্টার্টআপ সিএমএসএমই খাতে যুক্ত হচ্ছে। কিন্তু দক্ষ মানব সম্পদ ও তথ্যপ্রযুক্তির জ্ঞান ও দুর্বল সাপ্লাইচেন অবকাঠামোর কারণে বিকশিত হচ্ছে না এ খাত। গতকাল শনিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘সিএমএসএমই স্টার্টআপদের সফলতার পথে প্রতিবন্ধকতা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন এসইসি কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ।

সেমিনারের স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন,  তথ্য-প্রযুক্তির বর্তমান সময়ে এ খাতের প্রচুর সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও দক্ষ মানবসম্পদ ও আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব, দুর্বল সাপ্লাইচেন অবকাঠমো, ইনোভেটিভ চিন্তাচেতনা এবং আর্থিক সহায়তার অনিশ্চয়তার কারণে আমরা এ খাত থেকে কাক্সিক্ষত সাফল্য প্রাপ্তিতে বঞ্চিত হচ্ছি।

এন এম জিয়াউল আলম বলেন, এটুআই প্রকল্পের ‘চ্যালেঞ্জ ফান্ড’-এর মাধ্যমে যেসব স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সরকার প্রতিটি জেলায় ‘শেখ কামাল আইটি অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টার’ স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যার মাধ্যমে স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।

দেশের ফিনটেক খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য সরকার ‘বিনিময়’ নামে পেমেন্ট গেটওয়ের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম স্থাপনের কাজ চূড়ান্ত করেছে, যেটি এ খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে।

এসইসির কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, এসইসি ইতিমধ্যে ‘এসএমই বোর্ড’ গঠন করেছে, যদিও এ খাতের উদ্যোক্তাদের সেখানে প্রতিনিধিত্ব তেমন আশানুরূপ নয়। এমতাবস্থায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের বেশি হারে ওই বোর্ডে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানান। দেশের বৃহৎ প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তায় একটি ‘এসএমই বন্ড’ প্রবর্তনেরও প্রস্তাব করেন।    

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পাঠাও-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম আহমেদ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত