পাঠক সমাবেশে ড্যাডিসমগ্র : পাঠ প্রতিক্রিয়া

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২২, ০৮:১৪ পিএম

উপমহাদেশের পথিকৃৎ আলোকচিত্রী গোলাম কাসেম ড্যাডির ১২৯তম জন্মবার্ষিকী আগামীকাল। ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে ভারতের জলপাইগুড়িতে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাকে বাংলাদেশের ফটোগ্রাফির জনক বলা হয়। তার হাত ধরে পূর্ববঙ্গে ফটোগ্রাফি শিক্ষাচর্চা শুরু হয়। 

তার জন্মদিন উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর বিকাল ৬টায় রাজধানীর কাটাবন পাঠক সমাবেশ সেন্টারে 'ড্যাডিসমগ্র : পাঠপ্রতিক্রিয়া' অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনায় অংশ নেবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজম, কথাসাহিত্যিক মোজাফ্ফর হোসেন, আলোকচিত্রী জান্নাতুল মাওয়া ও আলোকচিত্রী সুদীপ্ত সালাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করবেন কবি ইমরান মাহফুজ।

গোলাম কাসেম ড্যাডি ১৯৫১ সালে ঢাকায় প্রথম আলোকচিত্রের স্কুল ট্রপিক্যাল ইনস্টিটিউট অব ফটোগ্রাফি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ক্যামেরা রিক্রিয়েশন ক্লাব। ১৯১৫ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফ্যানট্রি কোরের সদস্য হিসেবে তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। গ্লাস প্লেট নেগেটিভে যুদ্ধের দুর্লভ আলোকচিত্র ধারণ করেন।

বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে তিনি প্রথম আধুনিক ধারার ছোটগল্প লেখক। ১৯৭৭ সালে তিনি নাসিরউদ্দীন স্বর্ণপদক পান। ফটোগ্রাফিতে বিশেষ অবদানের জন্য ২০০৪ সালে তৃতীয় আন্তর্জাতিক ছবি মেলায় তাকে আজীবন সম্মাননা (মরণোত্তর) প্রদান করা হয়। ১৯৮৬ সালে পান সিনেসিক ও সিপিএস পদক। ১৯৮৮ সালে ক্রিয়েটিভ ফটোগ্রাফার্স বাংলাদেশ এর আন্তর্জাতিক স্যালোনে গোলাম কাসেম ড্যাডির নামে পদক প্রবর্তন করা হয়। দৃক প্রতিবছর তার নামে স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করে। তিনি বিপিএস এবং ইন্ডিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ফটোগ্রাফিক কাউন্সিলের সম্মানিত ফেলো ছিলেন। ১৯৯৮ সালের ৯ জানুয়ারি ১০৪ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত