দেশব্যাপী বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারদলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে দেশব্যাপী নানা কায়দায় জুলুম-নির্যাতনের নির্দয় ও অমানবিক খেলা যেন থামছেই না।’
গতকাল রবিবার রাতে বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেনের স্বাক্ষরে পাঠানো এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল এ অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন চালিয়ে এবং দেশব্যাপী ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে জোর করে রাষ্ট্রক্ষমতা নিয়ন্ত্রণে রাখাটাই এখন আওয়ামী সরকারের মূল লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে।
বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করে বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল-কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস এম জিলানীকে গ্রামের বাড়িতে না পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তার বয়োবৃদ্ধ পিতা এবং নারী সদস্যদের সঙ্গে অশালীন আচরণসহ নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন।’ এ ধরনের ঘটনার তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
মির্জা ফখরুল মনে করেন, বর্তমান আওয়ামী সরকারের মোটেই কোনো গণভিত্তি নেই, আর এ জন্য সরকার বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম-নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় জিলানীর গ্রামের বাড়িতে অভিযান চালাচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে বিএনপিকে দুর্বল করার জন্য নেতাকর্মীদের নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে আওয়ামী সরকারকে ফ্যাসিস্ট আখ্যায়িত করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকারকে উৎখাতে জনগণ এখন রাস্তায় নামতে শুরু করেছে। আওয়ামী সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত জনগণ রাজপথেই অবস্থান করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
