তিন দিনের ছুটি: শ্রীমঙ্গলে হোটেলের কোনো রুম খালি নেই

আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৭:৩১ পিএম

তিন দিনের ছুটিতে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলের পর্যটন স্পটে নেমেছে পর্যটকের ঢল। একে করে স্থানীয় হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টের রুম খালি নেই বলে জানিয়েছেন ট্যুরিজম ব্যবসায়ীরা।

তারা বলছেন, এক মাস আগে থেকে হোটেল-মোটেল বুক শুরু করেন পর্যটকরা। গত সপ্তাহ থেকে কোনো রুমই খালি নেই।

শুক্রবার কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলের বেশকিছু পর্যটন স্পট ঘুরে দেখা যায়, শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি আর রবিবার বড়দিনের ছুটি পাওয়ায় টানা তিন দিনের ছুটিতে নানা প্রান্তের পর্যটকরা এসেছেন ঘুরতে। শ্রীমঙ্গলের প্রায় ৫০টি হোটেল ও রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ তাদের সব রুম অগ্রিম বুকিং দিয়ে রেখেছেন। পাঁচতারকা থেকে শুরু করে সাধারণ মানের হোটেলেও এখন আর রুম খালি নেই।

ঢাকা থেকে সপরিবারে কমলগঞ্জের লাউয়াছড়ায় এসেছেন ব্যবসায়ী নাদিম মিয়া। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘প্রতিবার এসেই হোটেল রিজার্ভ করি। এবার এসে সেটা করতে পারিনি। বাধ্য হয়ে শ্রীমঙ্গল থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে মৌলভীবাজারের একটি হোটেলে উঠেছি। মনে হচ্ছে এবার প্রচুর পর্যটক এসেছে। সবাই মিলে সুন্দরভাবে সময় কাটিয়ে যেতে পারলেই খুশি।’

শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক ও গ্রীনলিফ গেস্ট হাউজের পরিচালক এসকে দাশ সুমন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এবার শহরের কোনো রিসোর্টে রুম খালি নেই। পর্যটকের ঢলে খুশি নতুন বিনিয়োগকারীরা। প্রথম প্রথম নিজের রিসোর্টে জায়গা দিতে না পারলে অন্য রিসোর্টে পাঠিয়ে দিতাম। এখন সেটাও করতে পারছি না রুম সংকটের কারণে। এমন পরিস্থিতি সাধারণত ঈদের ছুটিতে হয়। কিন্তু এবার তিনদিন ছুটি একসঙ্গে পাওয়ায় অনেকেই ঘুরতে বেরিয়ে পড়েছেন।

বিপুলসংখ্যক পর্যটকের নিরাপত্তা দিতে সতর্ক রয়েছে পুলিশ প্রশাসনও। কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি থানার পুলিশ সদস্যরাও কাজ করছেন। পর্যটকেরা তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে ভ্রমণ করলে ভালো করবেন।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত