পায়ের ওপর পা তুলে বসা নিয়ে ছাত্রলীগে সংঘর্ষ

আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০২৩, ০৬:৪৩ এএম

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে চায়ের দোকানে পায়ের ওপর পা তুলে বসা নিয়ে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। গুরুতর আহত নাঈম নামের ওই ছাত্রলীগকর্মীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন নয়াবাজার এলাকায় চায়ের দোকানে পায়ের ওপর পা তুলে বসা নিয়ে ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী রিশাদ ঠাকুর ও জিওগ্রাফি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুর রব নাঈমের কথা-কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে রিশাদ ঠাকুর নাঈমকে থাপ্পড় মারলে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপুরের দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে আবার সংঘর্ষ হয়। এ সময় রিশাদ ঠাকুর, ইফতেখার আহমদ রানা ও ইউসুফ আহমেদ টিটুর নেতৃত্বে নাঈমকে স্টাম্প দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। তার মাথা ফেটে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে রিশাদ ঠাকুর সাংবাদিকদের বলেন, ‘একটা ছোট বিষয় নিয়ে এক জুনিয়রের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়, তখন সে সিনিয়রের সঙ্গে বেয়াদবি করে। বিষয়টি আমার গ্রুপের জুনিয়ররা জানার পর সমাধানের জন্য বসলে তখন সে আবারও বেয়াদবি করে। তখন একটু হাতাহাতি হয়। পরে বিষয়টি দুই গ্রুপের সিনিয়র ও প্রভোস্টরা বসে সমাধান করে দেন।’

মারধরের শিকার নাঈমের গ্রুপ নেতা মো. খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমার গ্রুপের এক জুনিয়রের সঙ্গে অন্য গ্রুপের এক কর্মীর ভুল বোঝাবুঝি থেকে এ ঘটনা ঘটেছে। কী নিয়ে ঝামেলা হইছে, সেটা আমি জানি না। তবে বিষয়টি সমাধান করে দেওয়া হয়েছে।’

সার্বিক বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান খান বলেন, ‘সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে সিনিয়র-জুনিয়রের মধ্যে অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটেছে। পরে দুই গ্রুপের নেতাদের সঙ্গে বসে আমরা বিষয়টি সমাধান করে দিয়েছি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত