টাঙ্গাইলের সখীপুরে পুনর্গঠিত ও মেয়াদোত্তীর্ণ দুই ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। ইউনিয়ন দুটি-- ৬ নম্বর কালিয়া ও ৫ নম্বর হাতীবান্ধা। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব জেসমীন প্রধান সই করা এক চিঠিতে ৫ ফেব্রুয়ারি এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জানা যায়, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ১০১ ধারার বিধান অনুযায়ী পুনর্গঠিত ৬ নম্বর কালিয়া ইউনিয়ন পরিষদে সখীপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মনসুর আহমেদকে প্রশাসক এবং উপসহকারী প্রকৌশলী সাজেদুল আলম, উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার আবু হানিফ, উপসহকারী প্রকৌশলী জামিলুর রহমান, সমাজসেবা ফিল্ড সুপারভাইজার খান মনিরুর সালেহীন, বিআরডিবির হিসাব সহকারী মিজানুর রহমান, উপসহকারী প্রকৌশলী নূরুল ইসলাম, ইউনিয়ন সমাজকর্মী ছানোয়ার হোসেন, উপসহকারী প্রকৌশলী সোহেল রানা, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আছমা খাতুনকে সদস্য করা হয়েছে।
একইভাবে পুনর্গঠিত ৫ নম্বর হাতীবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদে সখীপুর উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. নাজিমুজ্জামানকে প্রশাসক এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী আলমগীর হোসেন, সহকারী যুব উন্নয়ন অফিসার শামীম আল মামুন, বিআরডিবির প্রধান পরিচালক আয়নাল হক খান, পল্লী দারিদ্র্য বিমোচনের মাঠ কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের ফিল্ড সুপারভাইজার সুমন মিয়া, মাঠ সহকারী জাহাঙ্গীর আলম, পরিবার পরিকল্পনার সহকারী অফিসার জাকিয়া জান্নাত বিথী, আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের মাঠ সহকারী তোফায়েল আহমেদ ও বিআরডিবির মাঠ সংগঠক শফিউল আলমকে সদস্য করা হয়েছে।
ওই দুই ইউনিয়নে সর্বশেষ ২০১৬ সালের ২৮মে ভোট হয়েছিল। এতে কালিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত এস এম কামরুল হাসান ও হাতীবান্ধা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত গিয়াস উদ্দিন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এর আগে কালিয়া ইউনিয়ন বিভক্ত করে ১০ নম্বর বড়চওনা ও হাতীবান্ধা ইউনিয়নে বিভক্ত করে ৯ নম্বর হতেয়া-রাজাবাড়ি নামে ইউনিয়ন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আলম বলেন, কালিয়া ও হাতীবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর এর কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য একজন উপযুক্ত কর্মকর্তা বা উপযুক্ত ব্যক্তিকে প্রশাসক হিসেবে ও ৯ জন করে সদস্য নিয়োগ করেছে সরকার এবং ইউনিয়ন পরিষদের আইনের বিধান অনুযায়ী নির্বাচিত পরিষদ গঠন না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসক ও সদস্য নিযুক্তির তারিখ হতে ইউনিয়ন পরিষদের যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবেন।
একইসঙ্গে, নিযুক্ত প্রশাসক একবারের বেশি বা ১২০ দিনের বেশি সময় দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। তবে কোনো দৈব-দুর্বিপাকের কারণে এই আইনের বিধান অনুযায়ী নির্বাচিত পরিষদ গঠন করা সম্ভব না হলে সরকার এ মেয়াদ ৬০ দিন পর্যন্ত বাড়াতে পারবে। ওই দুই ইউপিতে দায়িত্ব প্রাপ্তরা দায়িত্ব পালন করে জনগণের সঠিক সেবা প্রদানের আশাবাদ ব্যক্ত করে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।
