টেনে মেরেছিলেন, লং অনের ফিল্ডার ছিলেন বেশ ওয়াইডে। সেখান থেকেই ছুটে এসে ডাইভ দিয়ে দারুণ ক্যাচ নিলেন জেসন রয়। জোফরা আর্চারের বলে সাকিব আল হাসানকে থামতে হলো ৭৫ রানেই। ৭১ বলের ইনিংসে এই অলরাউন্ডার মেরেছেন ৭টি চার। তার বিদায়ের পরের বলেই ফিরেছেন মোস্তাফিজুর রহমান। তাতে পঞ্চাশ ওভার পূর্ণ হওয়ার আগেই বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় ইনিংসের ৭ বল বাকি থাকতেই।
শেষ বলটিতে ফিজকে আম্পায়ার আউট দেননি, তবে জোফরা আর্চার আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। রিভিউ কাজেও লেগে গেল ইংল্যান্ডের। শেষ ব্যাটসম্যান মোস্তাফিজুর রহমান এলবিডব্লু হওয়ার পর ২৪৬ রানেই থামল বাংলাদেশের ইনিংস। ২৪৭ রানের লক্ষ্যে একটু ব্যাট করতে নামবে ইংলিশরা।
টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামার পর দুই ওপেনার দ্রুত ফেরার পর পুনর্গঠনের কাজ করেছিলেন মুশফিকুর রহিম ও নাজমুল হোসেন। শুরুতে বেশ ধীরগতির হলেও ফিফটির দেখা পান দুজনই। তবে নাজমুলের রানআউটের পর আবার চাপে পড়ে তারা। সাকিবকে কিছুক্ষণ সঙ্গ দেওয়ার পর ফেরেন মুশফিক। তার ব্যাট থেকে এসেছে ৭০ রান করে। এরপর মাহমুদউল্লাহও বেশিক্ষণ টেকেননি।
ভালো একটা সংগ্রহের দিকে এগোতে গিয়ে হঠাৎ করেই হোঁচট। এরপর থেকে বলতে গেলে বাংলাদেশকে একা টেনেছেন সাকিব। ছয়টি জুটির অংশ ছিলেন, তার মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৯ রান উঠেছে আফিফের সঙ্গে তার জুটিতে। সাকিব ফিরেছেন ৪৯তম ওভারে।
চট্টগ্রামের চিরায়ত উইকেটের চেয়ে একটু মন্থর, নিচু বাউন্সের উইকেট। তবে পরের দিকে তুলনামূলক সোজা মনে হয়েছে ব্যাটিং। এমন উইকেটেও ২৪৬ রানের সংগ্রহ নিয়ে ইংল্যান্ডকে আটকাতে বেশ কঠিন কাজই করতে হবে বাংলাদেশ বোলারদের, সঙ্গে ফিল্ডারদেরও।
