উৎপাদনের কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে রঙের উৎসব আর নাচেগানে শুরু হয়েছে নতুন চায়ের পাতা (কুড়ি) উত্তোলন। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে উপজেলার চা বাগানগুলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে চা পাতা তোলা শুরু হয়।
গতকাল সকাল ১০টায় উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের ব্যক্তিমালিকানাধীন দলই চা বাগানে গিয়ে দেখা যায়, বাগানের সেকশনে সেকশনে চা গাছে নতুন কুঁড়ি শোভাবর্ধন করেছে।
সাধারণত ডিসেম্বরে মৌসুমের শেষে চা গাছ ছাটাই বা কলমের পর নিয়মানুযায়ী দু’তিন মাস বাগানে চা পাতা তোলা বন্ধ থাকে। ফলে চা কারখানাও অলস থাকতে হয়।
এরপর নতুন কুঁড়ি গজানোর পর আনুষ্ঠানিকভাবে চা পাতা চয়নের মাধ্যমে শুরু হয় চায়ের উৎপাদন। এ বছরও চা বাগান শ্রমিক ও পঞ্চায়েত নেতাদের উপস্থিতিতে শ্রমিকরা পূজোর্চনা, গীতাপাঠ, কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া মাহফিলসহ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। পরে বাগানের চা শ্রমিকদের নিয়ে নতুন পাতা চয়ন শুরু করা হয়। এরপর নাচেগানে ও একে অপরের গায়ে রং ছিটিয়ে আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠেন চা শ্রমিকরা।
দলই চা বাগানের নারী শ্রমিক সারতী সাওতাল, আশা বাউরী, বাসন্তী পাশী দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রতিবছরই একটি চা গাছকে উপলক্ষ করে ফুল ও প্রসাদ দিয়ে পূজা করি। এরপর নেচে গেয়ে আনন্দঘন পরিবেশে চায়ের কুড়ি উত্তোলনে লেগে পড়ি।
