রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চলমান আন্দোলনে রবিবার (১২ মার্চ) উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তারকে অবরুদ্ধ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এরপর উপাচার্যকে তার বাসভবনে প্রবেশে বাধা দেন তারা এবং বাসভবনের সামনে আন্দোলন শুরু করেন। এ সময় আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে কেউ একজন উপাচার্য বাসভবনের 'নাম ফলক' খুলে নিয়ে যান বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছেন, এ ধরনের কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা করতে পারে না। তাদের আন্দোলনের আড়ালে তৃতীয় পক্ষ এই কাজ করছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপাচার্যের বাসভবনের সামনের দেয়ালে যে নামফলকটা ছিল সেটা নেই। এখন শুধু তার ছাপটা রয়ে গেছে।
বাসভবনের গার্ড মো. সাদেম বলেন, উপাচার্য যখন অবরুদ্ধ ছিলেন। তখন ছাত্ররা এখানে এসে আন্দোলন শুরু করেন। তখন উপাচার্যের বাড়ির নাম ফলকটা কে বা কারা খুলে নিয়ে চলে গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু আন্দোলন মঞ্চের সমন্বয়ক আব্দুল মজিদ অন্তর বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয়দের হামলার প্রতিবাদে আমরা আন্দোলন শুরু করি। কিন্তু এর মধ্যে বিভিন্ন গ্রুপ তৈরি হয়েছে এবং কিছু দুষ্কৃতকারী ঢুকে পড়েছে। তারা সাংবাদিকদের ওপর হামলা করেছে, উপাচার্যের বাড়ির নাম ফলক খুলে নিয়েছে। পরে ওই আন্দোলন আর আমাদের ছিলো না। এমনকি রেললাইনে আগুনের সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি জানান, বাইরে থেকে কিছু দুষ্কৃতকারী ঢুকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বদনাম করতে চেয়েছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের অধ্যাপক আতাউর রহমান রাজু বলেন, তিলকে তাল করা উচিৎ হয়নি। এতে করে শিক্ষার্থীদের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অতুলনীয় ক্ষতি হয়ে গেছে। আন্দোলন-সংগ্রাম প্রয়োজন আছে তবে তার ভাষা ভিন্ন হতে পারতো। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সুষ্ঠু পরিবেশকে অসুস্থ করার জন্য যারা তৎপর ছিল তারাই এ কাজ করছে।
