উৎপাদনে এসেছে ২০০ মেগাওয়াট ক্ষতাসম্পন্ন দেশের সবচেয়ে বড় সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র। গাইবান্ধা জেলা সুন্দরগঞ্জে অবস্থিত তিস্তা সোলার কোম্পানির এ কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে। গত ৬ এপ্রিল বিদ্যুৎ ও জ¦ালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ তার ফেসবুক পেজে কোম্পানিটির বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর এ খবর জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনসহ বিদ্যমান ব্যবসা সম্প্রসারণে ২০২১ সালে শরিয়াহভিত্তিক সুকুক বন্ড ইস্যু করে তিন হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো লিমিটেড। সুকুক বন্ড ইস্যুর এ অর্থ দিয়ে দুটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানির সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পাশাপাশি বস্ত্র খাতের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের পরিকল্পনা রয়েছে বেক্সিমকোর।
সুকুক বন্ডের বেশিরভাগ অর্থ ব্যয় হবে বেক্সিমকো পাওয়ার লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান তিস্তা সোলার লিমিটেড ও করতোয়া সোলার লিমিটেডে। তিস্তা সোলার চীনা কোম্পানি টিবিইএ সানোয়াসিসের সঙ্গে যৌথভাবে গাইবান্ধায় ২০০ মেগাওয়াট এবং পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় অপর এক চীনা কোম্পানি জুয়াংসু জংতিয়ান টেকনোলজির সঙ্গে যৌথভাবে করোতোয়া সোলার নামের ৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে সুকুক বন্ডের অর্থ খরচ করা হবে।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের খোদ্দা ও লাঠশালার চরে ১ হাজার একর জমির ওপর তিস্তা সোলারে নির্মাণ করা হয় ২০০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র। এটিই দেশে এ ধরনের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র। ২০১৭ সালের ২৬ অক্টোবর তিস্তা সোলারের সঙ্গে সরকারের বিদ্যুৎ ক্রয় ও বাস্তবায়ন চুক্তি হয়েছে। অন্যদিকে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নির্মিত হচ্ছে ৩০ মেগাওয়াটের করতোয়া সোলার লিমিটেড বিদ্যুৎকেন্দ্রটি। বেক্সিমকো পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৮০ শতাংশের মালিক। বাকি ২০ শতাংশের মালিকানায় রয়েছে চীনা কোম্পানি জুয়াংসু জংতিয়ান টেকনোলজি। এই কেন্দ্র থেকে আগামী ২০ বছর ১৩ টাকা ৯০ পয়সা করে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ কিনবে সরকার। প্রসঙ্গত, বেক্সিমকো পাওয়ারের ৭৫ শতাংশের মালিক বেক্সিমকো লিমিটেড।
