বাংলাদেশ ‘এ’ দলের প্রথম ইনিংস ভদ্রস্থ হয়েছিল শাহাদাত হোসেনের দীপুর ৭৩ রানের লড়াকু ইনিংসে। ৬৫.৩ ওভারে ২৩৭ রান করে ‘এ’ দল। কার্ক ম্যাকেঞ্জিকে সিরিজে দ্বিতীয়বার সেঞ্চুরি বঞ্চিত করা গেলেও স্বস্তিতে নেই স্বাগতিকরা। উইন্ডিজ ‘এ’ দ্বিতীয় দিনেই টপকে গেছে। দ্বিতীয় দিন শেষে তাদের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২৬৮। এগিয়ে আছে ৩১ রানে।
আর্কিম জর্ডানের তোপের মুখে সকালে ৫ উইকেটে ১৭৫ রান নিয়ে খেলতে নামা ‘এ’ দল আর ৬২ রান করতে পেরেছে। এর ৪৫ রানই দীপুর। ১০ বাউন্ডারি ও দুই ছক্কায় ৭৩ রান করে জেয়ার ম্যাকালিস্টারে একমাত্র শিকারে পরিণত হন। আগের দিন কনুইয়ে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়া সাদমান নেমে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি।
জবাব দিতে নামা উইন্ডিজ দলকে শুরুতেই ধাক্কা দিয়েছিলেন খালেদ আহমেদ। ইনিংসের পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে ৪ রান করা তেজনারাইন চন্দরপলকে এলবিডাব্লিউ করেন তিনি। এরপর ১১৬ রানের জুটি কার্ক ম্যাকেঞ্জি আর রেমন রিফারের। ৩৭ রান করা রিফারকে ফিরিয়ে তানভীর ইসলাম জুটি ভাঙার কয়েক বলের মধ্যে ম্যাকেঞ্জিকে ৯১ রানে ফেরান সাইফ হাসান। (সাইফ প্রথম ম্যাচেও এই ম্যাকেঞ্জিকে ৮৬ রানে আউট করেছিলেন।) ওই ওভারেই ব্রান্ডন কিংকে শূন্যহাতে বিদায় দেন সাইফ। এরপর অ্যালিক আতানজে ও কিসি কার্টের মধ্যে আবার জুটি গড়ে ওঠে। নাঈম হাসান আতানজে ৪৫ রানে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন। দিনের শেষ দিকে রিশাদ হোসেনের দুর্দান্ত থ্রোতে ৬৮ রান করা কার্টিকে রানআউট করলে ২৬৬/৬ এ পরিণত হয় উইন্ডিজ দল।
তৃতীয় দিন সকালে অধিনায়ক জশুয়া দা সিলভা ও কেভিন সিনক্লেয়ার কত দূর নিতে পারেন উইন্ডিজকে সেটাই দেখার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ ‘এ’ প্রথম ইনিংস ২৩৭ (শাহাদাত হোসেন ৭৩, আফিফ ৩৭, সাইফ ৩১, জর্ডান ৫/৪৫, সিনক্লেয়ার ২/৪৪)। উইন্ডিজ ‘এ’ প্রথম ইনিংস ২৬৮/৬ (ম্যাকেঞ্জি ৯১, কার্টি ৬৮, আথাঞ্জে ৪৫, রিফাত ৩৭, সাইফ ২/৩৭, তানভীর ১/৪৫, খালেদ ১/৪৬, নাঈম ১/৮০।
