গ্রামীণফোন ক্রমবর্ধমানভাবে টেকসই সলিউশনের ব্যবহার, পরিবেশ সুরক্ষা নিয়ে প্রচারণা এবং জ্বালানি-সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার এবং টাওয়ারে সোলার প্যানেল ব্যবহার বৃদ্ধিতে নিজেদের প্রচেষ্টা জোরদার করেছে তারা। গত সোমবার গ্রামীণফোন ‘গ্রিন এনার্জি ইকোসিস্টেম ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা আয়োজন করে। আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন সরকারি-বেসরকারি খাতের বিশেষজ্ঞ ও কূটনৈতিকরা।
২০১৯ সালের কার্বন নিঃসরণকে ভিত্তি হিসেবে ধরে প্রতিষ্ঠানটি ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ শতাংশ কার্বন নির্গমন হ্রাসের লক্ষ্য গ্রহণ করেছে। গ্রামীণফোনের কার্যক্রমে কার্বন নিঃসরণ কমাতে সক্রিয়ভাবে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে; যেমন: জ্বালানি কার্যকারিতা বৃদ্ধি, নবায়ণযোগ্য জ্বালানি উৎসে বিনিয়োগ, প্রতিষ্ঠানের ভেতরে জ্বালানির সর্বোচ্চ উপযোগিতার সংস্কৃতি তৈরিতে কাজ করা এবং পরিবেশের ওপর ব্যবসা, বিশেষ করে সাপ্লাই চেইনের প্রভাব কমিয়ে আনতে বিভিন্ন পর্যায়ে পার্টনারদের সঙ্গে কাজ করা।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন উপলক্ষে জিপিহাউজে একটি গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করা হয়। এতে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন : বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত এসপেন রিকটার-সভেন্ডসেন, গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান, ইউআইইউ’এর সেন্টার ফর এনার্জি রিসার্চের ডিরেক্টর মো. শাহরিয়ার আহমেদ চৌধুরী, ইউএনডিপির কান্ট্রি ইকোনোমিস্ট নাজনীন আহমেদ প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি
