পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের প্রধান খন্দকার আহসান হোসেনসহ তিন কর্মকর্তা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের শুদ্ধাচার পুরস্কার পেয়েছেন। শুদ্ধাচার চর্চার কারণে তাদের ২০২৩ সালের শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার শেরে বাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি ২০২৩-২৪ ও শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান ২০২৩ অনুষ্ঠানে নির্বাচিতদের হাতে সনদ ও নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।
এম এ মান্নান বলেন, মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার কারণে সরকারি কর্মকর্তাদের ৫ শতাংশ বেতন বাড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এটা মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে ১০ শতাংশ করলে ভালো হতো।
পরিকল্পনা কমিশনের সচিব সত্যজিৎ কর্মকার বলেন, যারা পুরস্কার পেয়েছেন তাদের দায়িত্বের পরিধি বেড়ে গেল। তাদের দেখে অন্যরাও অনুপ্রাণিত হবেন।
শুদ্ধাচার পুরস্কারপ্রাপ্ত অন্য দুই কর্মকর্তা হলেন- শিল্পশক্তি বিভাগের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর ফারজানা ববি এবং ভৌত অবকাঠামো বিভাগের অফিস সহায়ক মালা খাতুন।
