কাদের বললেন

বন্ধুদের কাছে নয় বিএনপি প্রভুদের কাছে নালিশ করে

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০২৩, ০৬:৫৭ এএম

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘নির্বাচন বন্ধে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কমিয়ে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) যে সংশোধনী বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে তা অত্যন্ত যুক্তিসংগত ও ন্যায়সংগত। নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা হলে, দুইটা কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা হলে, এই ১/২ কেন্দ্র বন্ধ হতে পারে, কিন্তু গোটা নির্বাচন কেন বন্ধ করতে হবে।’

গতকাল বুধবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ শাখা ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের  যৌথ সভায় এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। গত মঙ্গলবার চলতি সংসদের বাজেট অধিবেশনে সংশোধনী এ আইন পাস হয়।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নির্বাচন আর তিন-চার মাস বাকি। বিএনপি বিদেশিদের ওপর তাকিয়ে আছে কার ওপরে ভিসানীতি প্রয়োগ করবে। পত্র-পত্রিকায়  দেখতে পাচ্ছি প্রতিনিধিদল আসছে। বিএনপি ভাবছে প্রতিনিধিদল এসেই সরকারকে নিষেধাজ্ঞা দেবে, ভিসানীতি দেবে। তারা দিবাস্বপ্ন দেখছে। তারা এখনো নালিশের মধ্যে নিমগ্ন। নালিশটা পাবলিকের কাছে নয়, নালিশটা বিদেশিদের কাছে।’

তিনি বলেন, ‘বিদেশি আমাদের বন্ধু, তাদের কিছু বলার থাকলে আমাদের কাছে বলতে পারে, সেটা বন্ধুসুলভ আচরণ। এখানে কোনো প্রভুত্বের কিছু নেই। বিএনপি প্রভুদের কাছে নালিশ করে, বন্ধুদের কাছে নালিশ করে না। সব পরামর্শ আমাদের গ্রহণ করতে হবে এমন কোনো কথা নেই।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সংশোধনকে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এটা অযৌক্তিক। এটা কোন গণতান্ত্রিক দেশে আছে? যারা বলে তাদের আমি জিজ্ঞেস করতে চাই। এ আইনে সে বিষয়টাই স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। পৃথিবীর সব দেশে এরকম, আমাদের কেন ভিন্ন কিছু করতে হবে।’

আওয়ামী লীগ কখনো বিরোধী দলে গেলে তখনকার সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের সংবিধানকে ফলো করে। সরকারে থাকলে অথবা বিরোধী দলে। চিরজীবন আমরা সরকারে ছিলামও না, অথবা নাও থাকতে পারি। বিরোধী দলে গেলেও আমরা সংবিধান   মেনে চলি।’

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ, মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন, এস এম কামাল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস  সোবহান গোলাপ, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়–য়া, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, উপপ্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল শামীম ও উপদপ্তর বিষয়ক সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত