১১ জুন ছিল বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস, এ দিবসকে কেন্দ্র করে অদূর ভবিষ্যতে পৃথিবীর সম্ভাব্য জনসংখ্যা এবং সবচেয়ে জনবহুল দেশগুলোর একটি আনুমানিক চিত্র তুলে ধরে জাতিসংঘ। যাতে দেখানো হয়েছে ২০৫০ সালে কেমন হবে বিশ্বের জনসংখ্যা পরিস্থিতি। জাতিসংঘের এই চিত্রে বাংলাদেশও আছে শীর্ষ জনবহুল দেশগুলোর মধ্যে। জাতিসংঘের এই প্রাক্কলিত চিত্র নিয়ে একটি বিশ্লেষণী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আলজাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর জনসংখ্যার বিচারে বিশ্ব দুটি মাইলফলক ছুঁয়েছে। প্রথমটি, ২০২২ সালের নভেম্বরে। সে সময় বিশ্বের জনসংখ্যা আনুষ্ঠানিকভাবে ৮০০ কোটিতে পৌঁছে। পরেরটা চলতি বছরের এপ্রিলে। সে মাসে ভারত চীনকে পেছনে ফেলে বিশ্বের জনবহুল দেশে পরিণত হয়।
জাতিসংঘের প্রাক্কলন অনুসারে, ২০৫০ সালের মধ্যে ভারত, চীন এবং নাইজেরিয়া হবে বিশ্বের শীর্ষ তিন জনবহুল দেশ। বর্তমানে ১৪৩ কোটি এবং ১৪২ কোটির বেশি জনসংখ্যা নিয়ে ভারত এবং চীন যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও নাইজেরিয়ার অবস্থান ষষ্ঠ। আগামী ২৭ বছরে দেশটির জনসংখ্যা পৌঁছবে ৩৭ কোটি ৭০ লাখে এবং দেশটি তৃতীয় অবস্থানে উঠে আসবে। যা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের দখলে।
এছাড়া, ২০৫০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নেমে আসবে চতুর্থতে। সে সময় দেশটির মোট জনসংখ্যা হবে সাড়ে ৩৭ কোটির বেশি। ৩৬ কোটি ৭০ লাখের বেশি জনসংখ্যা নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে থাকবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তান। ষষ্ঠ অবস্থানে থাকবে এশিয়ারই আরেক দেশ ইন্দোনেশিয়া। তালিকার সপ্তম দেশ হবে ব্রাজিল। ২১ কোটি ৭০ লাখ জনসংখ্যা নিয়ে অষ্টম অবস্থানে থাকবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। তালিকায় নবম অবস্থানে থাকবে ইথিওপিয়া। দেশটির জনসংখ্যা হবে ২১ কোটি ৪০ লাখ।
২০৫০ সালে জনসংখ্যার দিক থেকে শীর্ষ ১০ এর দশম দেশটি হলো বাংলাদেশ। ২৭ বছর পর বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা পেরিয়ে যাবে ২০ কোটির ঘর। জাতিসংঘের প্রাক্কলন অনুসারে সে বছর বাংলাদেশের জনসংখ্যা হবে ২০ কোটি ৩০ লাখ।
জাতিসংঘের অনুমান, ২০৫০ সালে বিশ্বের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১ হাজার কোটির কাছাকাছি পৌঁছাবে। সে বছর বিশ্বের মোট জনসংখ্যা হবে ৯৭০ কোটি।
