পূর্বাভাসের চেয়ে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি বেশি : এডিবি

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২৩, ১২:০০ এএম

আমদানি ও রপ্তানির প্রেক্ষাপটে ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির যে পূর্বাভাস এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) দিয়েছিল তার তুলনায় প্রবৃদ্ধি বেশি হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। গত এপ্রিলে এডিবির পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ।

গতকাল বুধবার সংস্থাটির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেশটির রপ্তানিতে বলিষ্ঠ অবস্থার আভাস দেয়।  শতাংশের উচ্চতর এই বরাদ্দ দেশের শক্তিশালী নিট রপ্তানিকে নির্দেশ করে; কারণ অর্থবছরে আমদানি প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত হ্রাস পেয়েছে এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে কম হ্রাস পেয়েছে।

সরকারিনীতি সহায়ক হওয়ায় সব ধরনের পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্রবৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে উল্লেখ করেছে এডিবি। বন্যা, সাইক্লোন এবং খরার কারণে ফসলের ক্ষতি আংশিকভাবে ভর্তুকি, প্রণোদনা এবং অন্যান্য ব্যবস্থার মাধ্যমে পূরণ করা হয়েছে। এছাড়া, জনসাধারণের ভোগের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি বিনিয়োগও বেড়েছে।

গত অর্থবছরে বাংলাদেশে আমদানি প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়েছে এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়া নিয়ে যে আশঙ্কা করা হয়েছিল তা ততটা কমেনি।

এডিবির পক্ষ থেকে বলা হয়, সরকারিনীতি সহায়ক হওয়ায় সব ধরনের পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্রবৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও তাপদাহের কারণে ফসলের যে ক্ষতি হয়েছিল তা আংশিক ভর্তুকি, প্রণোদনা ও অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে পূরণ করা হয়েছে।

সংরক্ষণ প্রক্রিয়া, সহায়তামূলক কার্যক্রম এবং স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা খাতে উন্নয়নের ফলে সার্বিকভাবে সেবা খাত এগিয়ে গেছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, গত এপ্রিলে এডিবি ২০২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির ৬ দশমিক ৫ শতাংশের যে প্রাক্কলন দিয়েছিল তা এখনো অপরিবর্তিত আছে।

বুধবার প্রকাশিত এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) জুলাই ২০২৩ অনুযায়ী, জ্বালানি ও খাদ্যদ্রব্যের দাম কমে যাওয়ায় মুদ্রাস্ফীতি কমতে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। এপ্রিলের ৪.২ শতাংশের তুলনায় এ বছরের পূর্বাভাসে উন্নয়নশীল এশিয়ায় মুদ্রাস্ফীতি ৩.৬ শতাংশ অনুমান করা হয়েছে। এদিকে, ২০২৪ সালের জন্য মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাস ৩.৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩.৪ শতাংশ করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত