রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে নেতাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের সঙ্গে এ সময় বিএনপি নেতাদেরও নয়াপল্টনের সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে নেতাকর্মীদের সরিয়ে নিতে দেখা যায়।
বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম, আমানউল্লাহ আমান, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীসহ কয়েকজন নেতাকে দেখা গেছে নেতাকর্মীদের সরে যেতে বলছেন। তারা বারবার অনুরোধ জানাচ্ছে, এখন যান চলাচল স্বাভাকি রাখতে সড়ক ছেড়ে চলে যেতে এবং শুক্রবার মহাসমাবেশের সময়ে আসতে।
একপর্যায়ে আব্দুস সালাম সাংবাদিকদেরও সড়ক ছেড়ে ফুটপাতে আসার আহ্বান জানান।
এর আগে দুপুরে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে কথা হয় নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে সমাবেশে যোগ দিতে আসা ফসিউল আলমের সাথে। তিনি ২ নম্বর সানন্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি। তিনি জানান, শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে সমাবেশে যোগ দিতে এসেছেন। কার্যালয়ের সামনে এসেছিলেন সিনিয়র নেতাদের সাথে দেখা করতে এবং আগামীকালের মহাসমাবেশ নিয়ে দিক-নির্দেশনা পেতে।
দিনাজপুর থেকে আসা বিএনপিকর্মী মো. ইয়াসিন আলী চৌধুরী জানান, দল হয়তোবা আমাদের ভালোর জন্য আমাদের কার্যালয়ের সামনে থাকতে দিচ্ছে না। আগামীকালের সমাবেশের মাধ্যমে নতুন নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি।
মতিঝিল জোনের এডিসি রওশনুল হক সৈকত উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, আজকে অফিস ডে। এই সময়ে ব্যস্ততম রাস্তায় মানুষজন সমবেত হলে জনগনের দুর্ভোগ বাড়ে। যাতে মানুষের দুর্ভোগ না হয় সেজন্য আমরা অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি। এখানে কেউ জটলা হতে আমরা দেবো না।
বিকেলে মহাসমাবেশ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন দলটির নেতা মির্জা আব্বাস। তিনি নয়াপল্টনে বিএনপিকে মহাসমাবেশ আয়োজনে সম্মত হওয়ায় পুলিশকে ধন্যবাদ জানান।
