বাংলাদেশের নির্বাচনকেন্দ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে ভারত তার মনোভাব আবারও জানিয়েছে। গতকাল শুক্রবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ নিয়ে প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি।
এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গড়া হবে কি না, সে বিষয়টি বাংলাদেশের সংবিধানে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। তাই এ নিয়ে কিছু বলা সংগত নয়।
ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন ঘিরে বিরোধী দল বিএনপির লাগাতার আন্দোলন, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের দাবি ও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৃতীয়পক্ষের হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কী চলছে, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা সমীচীন নয় উল্লেখ করে অরিন্দম বাগচি বলেন, কয়েক দিন আগেই এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি ভারত সরকারের মনোভাবের কথা জানিয়েছিলেন। সেই মনোভাব এখনো অপরিবর্তিত।
চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে প্রথম বক্তব্য দেওয়া হয়। ওই ব্রিফিংয়ে বলা হয়, বাংলাদেশের নির্বাচন কীভাবে হবে সেটা ঠিক করবে দেশটির জনগণ।
গতকাল বাগচি বলেন, ভারত চায় বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক এবং নির্ধারিত সময়েই হোক। তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের সম্ভাবনার মতো কাল্পনিক কোনো বিষয় নিয়ে কোনো মন্তব্য করা ঠিক নয়। তিনি চানও না।
সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় দৈনিকের উপসম্পাদকীয় নিবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে নির্বাচনী জটিলতাকে কেন্দ্র করে তৃতীয়পক্ষের হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।
