অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও দামের ভারসাম্য রাখতে পেঁয়াজ রপ্তানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে ভারত। গতকাল শনিবার দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি জানিয়েছে। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই শুল্ক বলবৎ থাকবে বলেও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এদিকে ভারতের এই সিদ্ধান্ত দেশের বাজারেও প্রভাব ফেলবে। এখন ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও শিগগির তা বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ছাড়া বর্তমানে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজের দামও বাড়তে পারে এই সুযোগে।
এদিকে গতকাল ভারতের ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই শুল্ক অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই শুল্ক বহাল থাকবে। ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের বরাতে বলা হয়েছে, দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়াতে সরকার পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে।
সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটিতে পেঁয়াজের ভালো মজুদ আছে। সম্প্রতি সরকার সরবরাহ বাড়াতে নিজস্ব মজুদ থেকে তিন লাখ টন পেঁয়াজ বাজারে ছাড়ার ঘোষণাও দিয়েছে।
তবে দেশটির ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, দীর্ঘ সময় ধরে অত্যধিক গরম থাকার কারণে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজের মান নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে বাজারে ভালো মানের পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। তাদের দাবি, পেঁয়াজ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির কারণে বাজারে অন্যান্য সবজির দামও বাড়তি। এ কারণেও পেঁয়াজের দাম বাড়ানো উচিত বলে মত দেন তারা।
ইকোনমিক টাইমস বলছে, ভারতীয় ব্যবসায়ীরা আগেই জানিয়েছিলেন, বাসাবাড়িতে যে ধরনের পেঁয়াজ সাধারণত ব্যবহার করা হয়, সেই পেঁয়াজের দাম বাড়তে পারে। আগামী সেপ্টেম্বরে পেঁয়াজের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে প্রতি কেজি ৫৫ থেকে ৬০ রুপিতে উঠতে পারে।
