কৈশোরবান্ধব স্কুল নারীবান্ধব হাসপাতাল গড়ার আহ্বান

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০২:২৪ এএম

কৈশোরবান্ধব স্কুল ও নারীবান্ধব হাসপাতাল গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা বলেছেন, সমাজের প্রচলিত টাবু ও কুসংস্কার প্রথা ভেঙে নারী ও কিশোরীদের এগিয়ে যেতে হবে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা সিলেবাসে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সচেতনতা বাড়াতে সরকার, রাজনীতিবিদ, সিভিল সোসাইটি, শিকক্ষ সমাজ ও পরিবারকে যুক্ত করতে হবে। গ্রামপর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিকসহ সব হাসপাতালকে নারীবান্ধব করে গড়ে তুলতে হবে।

গতকাল সোমবার রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কনফারেন্স হলে বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ (বিএনপিএস) আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘জাতীয় এসআরএইচআর কনফারেন্স ও যুব/কৈশোর মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তারা। যুব ও কিশোর-কিশোরীদের জন্য নিশ্চিত হোক যৌন প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার’ স্লোগান সামনে রেখে অনুষ্ঠিত মেলার উদ্বোধন করেন শহীদজায়া শ্যামলী নাসরীন চৌধুরী। বিএনপিএসের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবীরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিবিএইচসি ট্রাস্ট ও বিএমআরসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী।

বিএনপিএসের উপপরিচালক শাহনাজ সুমীর সঞ্চালনায় বক্তৃতা করেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ফার্স্ট সেক্রেটারি এনজিকো লরেনজো, নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের পলিসি অ্যাডভাইজার মুশফিকা জামান সাতিয়ার, কেএমকেএসের নির্বাহী পরিচালক শেফালী কা ত্রিপুরা, সিমাভি বাংলাদেশের অফিসার তুহীন সরকার প্রমুখ।

ডা. সৈয়দ মোছাচ্ছের আলী বলেন, ‘সমাজের মূলধারা থেকে যারা বাইরে রয়েছে, বিশেষ করে নারী সমাজকে হাতে হাত ধরে এগিয়ে নিতে হবে।’

মুক্তিযোদ্ধা রোকেয়া কবীর বলেন, ‘সারা দেশে স্থানীয় পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক, জেলা ও উপজেলা হাসপাতালেও নারীবান্ধব কর্নার ও সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।’

শহীদজায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী বলেন, ‘নারীরা আজও অবহেলিত-উপেক্ষিত। তারপরও নারীরা ৩০-৪০ বছর আগে যেসব কথা বলতে পারত না, এখন তারা তাদের সেসব স্বাস্থ্যসেবার কথা মুখ ফুটে বলতে পারছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত