কুড়িগ্রামে মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ঢাকায়

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২৩, ০২:৫৯ পিএম

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে শাহীন আলম (৩৫) নামে এক যুবককের বস্তাবন্দি লাশ ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করেছৈ পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে প্রধান আসামিকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আজ শনিবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ভুরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন।

গ্রেপ্তারকৃতর নাম শফিকুল ইসলাম শফি (৩২)। তিনি ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের আঙ্গারীয়া এলাকার ঝালেম উদ্দিনের ছেলে। গত শুক্রবার দুপুরে ঢাকার দুয়ারীপাড়া থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ জানায়, নিহত শাহীন আলমের একটি স্মার্ট ফোন চুরি হয়। গত ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়ার কথা বলে বারাইটারী এলাকার সনাতন পাড়ার একটি সুপারি বাগানে শাহিনকে ডেকে নেয় শফি। সেখানেই শাহীনকে অতিরিক্ত নেশা করিয়ে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে শফি। পরে শাহিনের লাশ বস্তায় ভরে বারাইটারী এলাকার সনাতন পাড়ার একটি ধানক্ষেতে ফেলে দেওয়া হয়। স্থানীয়রা রবিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে বস্তাবন্দি লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই সিদ্দিক আলম বাদী হয়ে শফিকুল ইসলাম শফি, শফির মামা নূর মোহাম্মদ ও মা সখিনাকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলার সূত্র ধরে পুলিশ নূর মোহাম্মদ ও সখিনাকে আটক করেছিল।

নিহতের ভাই ও মামলার বাদী সিদ্দিক আলম জানান, আমার ভাই হত্যা দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

ভূরুঙ্গামারী ও কচাকাটা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোর্শেদুল হাসান বলেন, মোবাইল চুরি যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে হত্যাটি সংঘটিত হয়েছে। চুরি যাওয়া মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে হত্যায় জড়িত মূল আসামিকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আরও জানান, শফি একাই হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে প্রাথমিক স্বীকারোক্তিতে জানিয়েছে। তার স্বীকারোক্তিতে হত্যাকাণ্ডের স্থান ও আলামত সংগ্রহের কাজ চলছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত