১৩ ঘণ্টা দেরি করেছিল ট্রেন, পাঁচ বছর পর গুণতে হলো জরিমানা

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২৩, ০৮:৫১ পিএম

২০১৮ সালের ৬ মে ১৩ ঘণ্টা দেরি করেছিল ভারতের দক্ষিণ রেলওয়ের চেন্নাই আলেপ্পি এক্সপ্রেস। ওই ট্রেনে সফর করছিলেন চেন্নাইয়ের বাসিন্দা কার্তিক মোহন। অফিসের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দিতে এর্নাকুলাম থেকে চেন্নাই যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্ত ট্রেন দেরিতে চলায় এবং সে ব্যাপারে আগে থেকে কোনো তথ্য না থাকায় তিনি সময়সমতো পৌঁছাতে পারেননি।

তার দাবি, এর জেরে তার চাকরির ভবিষ্যৎ চিরতরে বদলে যায়। চূড়ান্ত মানসিক পীড়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় তাকে। এই অভিযোগে দক্ষিণ রেলওয়ের বিরুদ্ধে এর্নাকুলামের গ্রাহক সমস্যা সংক্রান্ত আদালতে মামলা করেন কার্তিক, যার রায় বেরোল দীর্ঘ পাঁচ বছর পর।

এর্নাকুলামের গ্রাহক সংক্রান্ত আদালত জানিয়েছে, ভারতীয় রেলকে ওই ব্যক্তিকে ৬০ হাজার রুপি ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। একই সঙ্গে গ্রাহক আদালতের পর্যবেক্ষণ রেলের পক্ষে পরিষেবাগত গাফিলতি ছিল। দেরির কথা আগে থেকে জানানো হয়নি যাত্রীদের। এমনকি ১৩ ঘণ্টা দেরির পরও যাত্রীদের পৌঁছে দিতে বিকল্প ব্যবস্থা করেনি রেল। খবর আনন্দবাজার অনলাইনের।

কার্তিক মোহন আদালতকে জানিয়েছিলেন, সেদিন দেরির জন্য তিনি একা ভুক্তভোগী হননি। অনেকেই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিলেন ওই ট্রেনে। কার্তিক নিজে তার পরীক্ষার সময়ের যথেষ্ট আগে সময় হিসাব করে টিকিট কেটেছিলেন। কিন্তু ট্রেন ১৩ ঘণ্টা দেরি করায় এবং সে বিষয়ে কোনো আগাম তথ্য না থাকায় তার মতো অনেককে সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।

গ্রাহক আদালত তার রায়ে জানিয়েছে, ট্রেন দেরিতে চলায় যাত্রীকে যে মানসিক পীড়া, শারীরিক সমস্যা এব‌ং আর্থিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তার জন্য ৫০ হাজার রুপি দিতে হবে। আর এ সংক্রান্ত মামলাটি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার খরচ বাবদ আরও ১০ হাজার রুপি দিতে হবে ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষকে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত