বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার আশা টিকিয়ে রাখতে পাকিস্তানকে টপকাতে হবে রান পাহাড়। তাদের বোলারদের তুলাধুনা করে ৬ উইকেটে ৪০১ রান করেছে নিউজিল্যান্ড।
বেঙ্গালুরুতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছেন রাচিন রবীন্দ্র। সঙ্গে কেন উইলিয়ামসনের ৯৫ রান এবং শেষে ফিলিপসের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বিশাল এই পুঁজি পেয়েছে কিউইরা।
বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড পাকিস্তানেরই। চলতি আসরেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৪৪ রান তাড়া করে জিতেছিল তারা। এবার নিজের রেকর্ড নতুন করে গড়তে হবে তাদের।
ম্যাচটি পাকিস্তানের জন্য একপ্রকার 'বাঁচা-মরার'। জয়ের বিকল্প নেই বললেই চলে। পাকিস্তান হারলে ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে যদি আজ অস্ট্রেলিয়া জিতে যায়, তাহলে বাবর আজমদের শেষ চারে খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে যাবে এখানেই। তবে অস্ট্রেলিয়াও হারলে কাগজে-কলমে খানিকটা সুযোগ থাকবে পাকিস্তানের।
পয়েন্ট টেবিলে নিউজিল্যান্ডের ওপরে উঠতে তাই শুধু জিতলেই হবে না, সঙ্গে রানরেটের হিসাবও মেলাতে হবে বাবরদের। ম্যাচে পাকিস্তান আগে ব্যাটিং করলে নিউজল্যান্ডকে হারাতে হতো ৮৩ রানে। কিন্তু পরে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় জিততে হবে ৩৫ ওভারের মধ্যে। অর্থাৎ, ৪০২ রান পাকিস্তানকে করতে হবে ৩৫ ওভারের মধ্যে। ওভারপ্রতি রান তুলতে হবে ১১.৪৮ গড়ে।
টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাবর আজম। দলীয় ৬৮ রানে কনওয়েকে ফিরিয়ে প্রথম সাফল্য পায় পাকিস্তান। তবে দ্বিতীয় উইকেটে ১৮০ রানের জুটি গড়েন রাচিন ও উইলিয়ামসন।
রাচিন ৮৮ বলে সেঞ্চুরি পূরণ করেন। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার তৃতীয় সেঞ্চুরি।
গেল ১৩ অক্টোবর বাংলাদেশের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ের সময় ইনজুরিতে পড়েছিলেন উইলিয়ামসন। আজ মাঠে ফিরে ৭৯ বলে খেলেন ৯৫ রানের ইনিংস। তার ইনিংসে ছিল ১০ চার ও ২ ছক্কা। উইলিয়ামসনের বিদায়ে জুটি ভাঙে।
জুটি ভাঙার পর রাচিনও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৫ চার ও ১ ছক্কায় ১০৮ রানে ফেরেন।
চ্যাপমানের ২৭ বলে ৩৯, ফিলিপসের ২৫ বলে ৪১ ও স্যান্টনারের অপরাজিত ২৬ রানে বড় সংগ্রহ পায় নিউজিল্যান্ড।
