গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় গভীর রাতে বাসায় ঢুকে স্বামীকে আটকে রেখে নববধূর শ্লীলতাহানি ও নগ্ন ছবি ধারণের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া চৌরঙ্গী মোড়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পে এ ঘটনা ঘটলেও গত তিন দিনে কোনো আইনি সহায়তা পায়নি ভুক্তভোগী পরিবার। এ ঘটনায় ওই নববধূর শ্বশুর চারজনকে আসামি করে টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানালেও পুলিশ বলছে তারা কোনো অভিযোগ পায়নি।
ওই নববধূর শ্বশুর জানান, গত ২৯ অক্টোবর সামাজিকভাবে তার ছেলের বিয়ে হয়। বৃহস্পতিবার রাতে ওই এলাকার বখাটে নাইম তালুকদার (২১) ও মিজু তালুকদারসহ (২২) তাদের সাঙ্গোপাঙ্গরা জোরপূর্বক ঘরে ঢুকে বিয়ের কাবিননামা দেখতে চায়। এ সময় তার ছেলেকে আটকে রেখে পুত্রবধূর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে ও মোবাইলে অশ্লীল ছবি ধারণ করে। এ ঘটনায় নাইম তালুকদার ও মিজু তালুকদারসহ চারজনকে আসামি করে টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন বলে জানান তিনি।
নির্যাতিতা নববধূ বলেন, ‘আমার স্বামীকে বাথরুমে আটকে ফেলে। চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে অন্য ঘরে থাকা আমার শ^শুর-শাশুড়ি এলে তাদের মারধর করে বেঁধে ফেলা হয়। পরে জোর করে মোবাইল দিয়ে আমার নগ্ন ছবি তুলে এবং এসব ছবি ফেসবুকে ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দেয়।’
প্রধান অভিযুক্ত নাইম তালুকদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। তার মা রোকসানা বেগম বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে আমার ছেলের পক্ষ থেকে তাদের কাছে ক্ষমাও চেয়েছি। আমার ছেলে না বুঝে এমন কাজ করেছে।’
টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি এস এম কামরুজ্জামান বলেন, ‘এমন ঘটনার কথা শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
