নরসিংদী ও বগুড়ার আদমদীঘিতে ট্রেনে কাটা পড়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ও বুধবার রাতে পৃথক ঘটনা দুটি ঘটে।
নরসিংদীতে নিহত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে তিতাস কমিউটার ট্রেনে কাটা পড়ে তার মৃত্যু হয়।
রেলওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা তিতাস কমিউটার ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দিকে যাচ্ছিল। দুপুরে ট্রেনটি নরসিংদী রেলস্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়। বিরতি শেষে আবার যাত্রা শুরু করার মুহূর্তে এক ব্যক্তি দুই বগির জয়েন্টের হুকে ওঠেন। এ সময় তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেললাইনে পড়ে যান। পরে তাকে চলন্ত ট্রেনের সঙ্গে কয়েক সেকেন্ড ধরে দৌড়াতে দেখা যায়। একপর্যায়ে ট্রেনের চাকায় তার লুঙ্গি আটকে গেলে তার হাত ও পা কাটা পড়ে। পরে তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে পথেই তার মৃত্যু হয়।
নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক কার্তিক চন্দ্র রায় বলেন, নিহতের নাম-পরিচয় জানার জন্য আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করেছে পিবিআই।
এদিকে বগুড়ার আদমদীঘির কুন্দ্রগ্রাম ইউপির গাদোঘাট এলাকায় গত রবিবার রাতে ট্রেনে কাটা পড়ে রহিম (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রহিম কুন্দ্রগ্রাম ইউপির বশিকোড়া এলাকার মৃত শফি উদ্দিনের ছেলে।
সান্তাহার রেলওয়ে থানার ওসি মোক্তার হোসেন বলেন, ‘বুধবার রাতে পঞ্চগড় থেকে ছেড়ে আসা সান্তাহারগামী দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে তার মৃত্যু হয়। সে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল।