জিরো প্লাস জিরো প্লাস জিরো ইজ এ বিগার জিরো: মঈন খান

আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০২৩, ১১:৫০ পিএম

"জিরো প্লাস জিরো প্লাস জিরো ইজ এ বিগার জিরো"। আওয়ামী লীগের বেলায়ও আজ আবার নতুন করে এটা প্রতীয়মান হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান

আজ বুধবার (২২ নভেম্বর) সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে শরিক দলগুলো থেকে বেরিয়ে গিয়ে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম যুক্তফ্রন্ট নামে নতুন জোট গঠন করে নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর মঈন খান সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের রাজনীতির এই সঙ্গীন মুহুর্তে একের পর এক নতুন পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে একদলীয় সরকার। একদিকে আমরা দেখলাম বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বেইল পিটিশন বারবার গড়িমসির পরে আজও আবার প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এর অর্ধ হচ্ছে এই যে, আওয়ামী সরকার সংঘাতের রাজনীতি ব্যতিরেকে অন্য কোন রকম শান্তিপূর্ণ সমাধানের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। যেন তেন প্রকারে নির্বাচনের নাটক করে একদলীয় শাসন ভবিষ্যতেও চালিয়ে যাওয়াই তাদের একমাত্র অভীষ্ট।’

যুগপৎ আন্দোলন ত্যাগ করে কতিপয় রাজনীতিকের সরকারী আওয়ামী জোটে যোগদান এবং আগামী সংসদ নির্বাচনে যোগদানের প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় এদেশের রাজনীতির পুরনো একটি কথা মনে পড়ছে। সেটা হলো "জিরো প্লাস জিরো প্লাস জিরো ইজ এ বিগার জিরো"। শুধু তাই নয়, এটা এখন একদম স্পষ্ট যে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটে তাদের যে আর জয়ী হবার কোন সম্ভাবনাই নেই সেটা আজ জনগণের কাছে তারা নিজেরাই তাদের এই মরিয়া কার্যকলাপে নিশ্চিত করে দিয়েছে।’

মঈন খান বলেন, ‘সরকারের সাম্প্রতিক একতরফাভাবে নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণা থেকে শুরু করে সরকারী প্রশাসন, পুলিশ ও বিচার বিভাগকে অপব্যবহার করছে। বিগত প্রায় চার সপ্তাহ ধরে সারাদেশব্যাপী অন্যান্য সকল রাজনৈতিক দল বাদ দিয়ে এককভাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়ীঘরে রেইড করে ও পুরোনো ভূয়ো মামলায় বিএনপির নেতাকর্মীদের সাজা প্রদান করে নির্বাচনের অযোগ্য করে দিচ্ছে। তাতে এটা আর লুকোনোর কিছু নেই যে, সরকার এদেশ থেকে বিএনপির উদার গণতান্ত্রিক রাজনীতি নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে বিশাল কায়েম করতে চায়। তবে বাংলাদেশের আজকের বাস্তবতা হচ্ছে এই যে, জনগণ বিএনপিকে অন্তর থেকে গ্রহণ করেছে এবং আওয়ামী লীগের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার হরণ তথা দুর্নীতিপূর্ণ অপশাসনের চিরতরে অবসান চায়।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত