বিয়ের বার্ষিকী ছিল ৫ নভেম্বর স্বামীর কাছ থেকে কোনো উপহার পাননি। এর আগে সেপ্টেম্বরে নিজের জন্মদিনে ভেবেছিলেন দুবাই যাবেন, তাতেও স্বামী রাজি হননি। এরপর আত্মীয়ের জন্মদিনে দিল্লি যেতে চাইলেও স্বামীর জন্য সেই প্ল্যান বাদ দিতে হয়। ব্যস, জমে থাকা ক্রোধ থেকে শুরু হলো ঝগড়া এরপর তা গড়ালো নির্মমতায়, হিতাহিত জ্ঞান লোপ পেয়ে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে স্বামীকে ঘুষি মেরে বসলেন স্ত্রী, এক ঘুষিতেই জ্ঞান হারালেন স্বামী, গলগল করে রক্ত বের হতে শুরু করলো নাক-মুখ দিয়ে। এটি কোনো রোমহর্ষক সিনেমার গল্প নয়। হুবহু ঘটনা ঘটেছে ভারতের পুনেতে। স্ত্রী রেনুকার রোষের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন নিখিল খান্না।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস ভারতের পুনের ওয়ানাবদির পুলিশের বরাত দিয়ে এ প্রকাশ করেছে এই খবর। পুলিশ জানায় নিহত নিখিল খান্না পেশায় একজন রিয়াল এস্টেট ব্যবসায়ী। ছয় বছর আগে তার স্ত্রী রেনুকার সঙ্গে প্রেমের বিয়ে হয়েছিল। ঘটনার আগে রেনুকা জন্মদিন, বিয়ে বার্ষিকীর কাঙ্ক্ষিত উপহার না পেয়ে স্বামীর ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। এই ক্ষোভ থেকেই বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে নিখিলকে আঘাত করেন রেনুকা। সম্ভবত ঘুষির আঘাত এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, নিখিলের নাক ও দাঁত ভেঙে যায়। প্রতিবেশীরা এরপর পুলিশে খবর দিলে পুলিশ নিখিলকে হাসপাতালে পাঠায়। তবে সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মৃত্যুর কারণ শুধুই ঘুষি নাকি আরও কিছু ব্যবহার করা হয়েছে তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। ইতিমধ্যে রেনুকাকে গ্রেপ্তার করে, তার বিরুদ্ধে ভারতীয় আইনে মামলা করেছে ।
