নির্বাচনে নতুন ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ১ শতাংশ ভোটার সমর্থন না থাকলে প্রার্থীতা বাতিল বলে গণ্যের নিয়ম রয়েছে। এই নিয়মের বিরোধিতা করেছেন অনেকেই।
নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় এলাকায় ১ শতাংশ ভোটার সমর্থন স্বাক্ষর পদ্ধতি বাতিল চেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি নেত্রকোনা-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনে।
তিনি বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভোট থেকে দূরে রাখার কৌশলের অংশ হিসেবে এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন দেখানো আইন করা হয়েছে। এই আইন পরিবর্তন হওয়া উচিত।
বুধবার সকালে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে প্রার্থীতা ফিরে পেতে আপিল আবেদন শেষে তিনি এই কথা বলেন।
এর আগে ভোটার স্বাক্ষর জটিলতায় রিটার্নিং অফিসার তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে।
অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার মতো একজন মানুষের ১ শতাংশ ভোটার সমর্থন না থাকার অভিযোগে প্রার্থীতা বাতিল করেছে এটা গুরুতর বিষয়। তখন আমার কাছে মনে হয়েছে এমন পদ্ধতি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য একটা কৌশল।
তিনি বলেন, এক শতাংশ ভোটার সমর্থনে যেই অভিযোগে আমার মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তখন সাধারণ মানুষ বলছে ষড়যন্ত্র করে একজন ভালো মানুষের মনোনয়ন বাতিল করছে। আমি মনে করি এই আইনটা পরিবর্তন হওয়া উচিত। কেউ যদি না করেন তাহলে নিজেই উদ্যোগ নিয়ে কাজ করবো।
নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে তিনি বলেন, যখন সামান্য কারণে ভালো প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়, তখন আর পরিবেশ ভালো থাকে না। মানুষ বলছে কিসের ভোট।
আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। আর ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর আপিল নিষ্পত্তি করবে নির্বাচন কমিশন।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি (রোববার)।
