কাতারের রাষ্ট্রদূতকে প্রধানমন্ত্রী

গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় ওআইসিকে একসঙ্গে কাজ করা উচিত

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৬:১২ এএম

ফিলিস্তিনের গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) রাষ্ট্রগুলোর ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘ওআইসির সদস্য দেশগুলোকে গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

বাংলাদেশে কাতারের রাষ্ট্রদূত সেরায়া আলি মাহদি সাইদ আল-কাহতানি গতকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রেস সচিব বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং কাতারের রাষ্ট্রদূত বৈঠকে গাজা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছেন। বৈঠকে কাতারের রাষ্ট্রদূত শেখ হাসিনার কাছে ৪ থেকে ৬ মার্চ, ২০২৪ তারিখে কাতারে অনুষ্ঠেয় অষ্টম দোহা ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম ডিফেন্স এক্সিবিশন অ্যান্ড কনফারেন্সে (ডিআইএমডিইএক্স) যোগদানের জন্য আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন।

প্রধানমন্ত্রী এ আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করে বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনে তিনি জয়ী হলে প্রদর্শনীতে যোগ দেবেন। প্রদর্শনীটি প্রতি দুই বছর অন্তর কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত হয়।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ফিলিস্তিনিদের জন্য শুকনো খাবার ও কাপড়সহ ত্রাণসামগ্রীও পাঠিয়েছে। তিনি বলেন, এমনকি বাংলাদেশ থেকে এমবিবিএস পাস করা ফিলিস্তিনি চিকিৎসকরা এখন ফিলিস্তিনের হাসপাতালে কাজ করছেন।

কাতারের রাষ্ট্রদূত বলেন, কাতারভিত্তিক আলজাজিরা মিডিয়া নেটওয়ার্ক গাজা ইস্যুতে সংবাদ প্রচার করছে বলে বিশ^ গাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে পারছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আশা করেন, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সফর করবেন।

প্রেস সচিব শেখ হাসিনাকে উদ্ধৃত করে বলেন, ‘আমরা অতি দ্রুত আমিরকে স্বাগত জানাতে অপেক্ষায় আছি।’

কাতারের আমির ২০২০ সালের মে মাসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী গাজা ইস্যুতে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য কাতার কর্র্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত