চাপহীন ভোটের চাপে ইসি

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২৪, ০৭:০০ এএম

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আজ। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ভোট বর্জনের ডাক, বিদেশিদের চাপ, নাশকতায় প্রাণহানি, প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘাত-সহিংসতা, নির্বাচনের মাঠ থেকে অর্ধশতাধিক প্রার্থীর সরে দাঁড়ানোসহ নানা ঘটনা আর আলোচনা-সমালোচনার পর নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চূড়ান্ত পরীক্ষার দিন আজ।

ভোটার উপস্থিতি নিয়ে শঙ্কার মধ্যেও অনিয়ম-জালিয়াতি রুখে পরিচ্ছন্ন ভোট শেষ করতে পারা না পারার পরীক্ষার দিন ইসির। অবশ্য ইসি মনে করছে, এই পরীক্ষায় ভালোভাবে পাস করার কোনো বিকল্প নেই তাদের। বিশেষ করে, পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে নিয়ে প্রশ্ন তোলা সংস্থা ও রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিরা পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকায় সুষ্ঠু ভোট করার বিকল্প নেই ইসির জন্য। তাই ‘চাপহীন’ ভোটে ইসিকে চাপ নিতেই হচ্ছে। আজ রবিবার সকাল ৮টা থেকে সারা দেশের ৪২ হাজার ২৪টি কেন্দ্রে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যালটের মাধ্যমে চলবে ভোটগ্রহণ। এরপর গণনা শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করবেন। এবারই প্রথম একটি অ্যাপের মাধ্যমে প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর ভোটের তথ্য হাল নাগাদ করবে ইসি। এর মধ্যে কোনো কেন্দ্রে বা আসনে কারচুপি বা অনিয়মের প্রমাণ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে ভোট বাতিল করতে পারে। আর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সশস্ত্র বাহিনীকে কাজে লাগানোর প্রস্তুতিও নেওয়া আছে ইসির।

ভোটের আগের দিন গতকাল শনিবার সকাল থেকে মাঠের বড় বিরোধী দল বিএনপি ও সমমনা দলগুলো ৪৮ ঘণ্টা হরতাল পালন করছে। হরতাল শুরুর আগে শুক্রবার মধ্যরাত থেকে গতকাল রাত ১২টা পর্যন্ত রাজধানী ঢাকাসহ ১৮ জেলায় নাশকতা ও এক গ্রাম পুলিশকে হত্যার ঘটনা ঘটে। এরই মধ্যে ১১টি ভোটকেন্দ্র ও ৮টি যানবাহনে আগুন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ভোটের সরঞ্জামবাহী একটি বাসও রয়েছে। বেশ কয়েকটি জেলায় হাতে তৈরি বোমার বিস্ফোরণ ঘটেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহী ও ফেনীতে ৫টি ভোটকেন্দ্রে আগুন দেওয়া হয়।

এই প্রেক্ষাপটে গতকাল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে সবাইকে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও অস্বস্তি কাটিয়ে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, সবার দায়িত্বশীল আচরণ ও আইনানুগ ভূমিকা পালনের মাধ্যমে নির্বাচন নিরপেক্ষ, অবাধ, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ হবে।

এর আগে মিট দ্য প্রেসে সিইসি বলেছেন, ২ শতাংশ ভোটগ্রহণ হলেও নির্বাচন আইনগতভাবে বৈধ হবে। তবে সিইসি এ বিষয়ে আগে বলেছিলেন ১ শতাংশ ভোট পড়লেই নির্বাচন বৈধ বলে গণ্য হবে।

বিএনপি-জামায়াতসহ নিবন্ধিত ১৬টি দল নির্বাচনে না এলেও শেষ পর্যন্ত ২৯৯টি আসনে ২৮টি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে ১ হাজার ৯৬৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ৫৩২। বাকি ৪৩৭ জন স্বতন্ত্র। তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী দুই শতাধিক।

নির্বাচনে প্রথমে ২৯৮টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। তবে জাতীয় পার্টিকে ২৬টি ও ১৪-দলীয় জোটকে ৬টি আসন ছেড়ে দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে দলটির প্রার্থী রয়েছেন ২৬৫ জন। এরপরই প্রার্থীর তালিকায় রয়েছে জাতীয় পার্টি। ভোটের মাঠে দলটির ২৬৪ জন প্রার্থী থাকলেও শেষ সময়ে এসে বেশ কয়েকজন প্রার্থী সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

এ ছাড়া তৃণমূল বিএনপি (সোনালি আঁশ) ১৩৫, জাকের পার্টি (গোলাপ ফুল) ২১, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (আম) ১২২, বাংলাদেশ কংগ্রেস (ডাব) ৯৬, জাসদ (মশাল) ৬৬, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি-বিএসপি (একতারা) ৭৯, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (ছড়ি) ৬৩, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ (টেলিভিশন) ৪৫, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-বিএনএম (নোঙ্গর) ৫৬, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন (ফুলের মালা) ৩৮ জন, ইসলামী ঐক্যজোট (মিনার) ৪২, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ (চেয়ার) ৩৯, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট (মোমবাতি) ৩৭, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ (গামছা) ৩০, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (হাতুড়ি) ২৬, গণফ্রন্ট (মাছ) ২১, জাতীয় পার্টি-জেপি (বাইসাইকেল) ১৩, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি (হাতঘড়ি) ১৬, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন (বটগাছ) ১১, বিকল্পধারা বাংলাদেশ (কুলা) ১০, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (কাঁঠাল) ৫, গণতন্ত্রী পার্টি (কবুতর) ১০, গণফোরাম (উদীয়মান সূর্য) ৯, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল-এম-এল (চাকা) ৪, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ (কুঁড়েঘর) ৫ ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএলের (পাঞ্জা) ৪ জন প্রার্থী রয়েছেন।

গত ১৫ নভেম্বর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। ৭ জানুয়ারি ভোটের দিন রেখে ঘোষিত তফসিলে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল ৩০ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয় ১-৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ছিল ১৭ ডিসেম্বর। ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার মধ্য দিয়ে ভোটের প্রচার শুরু করেন প্রার্থীরা। সে হিসেবে প্রার্থীরা প্রচারের জন্য ১৯ দিন সময় পেয়েছেন।

নির্বাচন নিয়ে প্রধান দুই রাজনৈতিক শিবিরে বিরোধের মধ্যেই তফসিলের দিন জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সিইসি রাজনৈতিক মতৈক্যের সমাধানের তাগিদ দেন। এ সময় তিনি সব রাজনৈতিক দলকে বিনীতভাবে অনুরোধ করে বলেন, সংঘাত পরিহার করে সমাধান অন্বেষণ করুন। সংলাপের মাধ্যমে সমঝোতা ও সমাধান অসাধ্য নয়। এর দুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে শর্তহীন সংলাপের আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিকে চিঠি দেওয়া হয়। তবে এসব আহ্বানে সাড়া দেয়নি দলগুলো। তফসিল প্রত্যাখ্যান করে হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচি পালন করে আসছে তারা। ফলে ২০১৪ সালের মতো রাজনীতিতে আবার ফিরে এসেছে অস্থিরতা। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাস-ট্রেনে ঘটছে অগ্নিসংযোগ আর নাশকতার ঘটনাও। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ডজনখানেক মানুষের প্রাণ গেছে। ফলে ভোটের দিনকে ঘিরে জনমনে এক ধরনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে।

এর আগে ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করেছিল বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ওই সময় সারা দেশে নজিরবিহীন সহিংসতার ঘটনা ঘটে। তার মধ্যেও টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় ওই নির্বাচনে অর্ধেকের বেশি আসনে আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভোটের আগেই জিতে যান।

এরপর ২০১৮ সালে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে। তবে নির্বাচনের মাঝপথে এসে বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো ব্যাপক কারচুপির অভিযোগে তুলে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে। তবে শেষ পর্যন্ত সংসদে যোগ দেয়। বিএনপির যে কয়েকজন নির্বাচিত হয়েছিলেন তারা গত বছর ডিসেম্বরে সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে অনভিপ্রেত পরিস্থিতি এড়াতে ভোটকেন্দ্র, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং ভবনের নিরাপত্তা জোরদার ও নজরদারি বৃদ্ধির নির্দেশ দিয়েছে ইসি। ভোটের আগে ও পরে পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ৮ লাখ সদস্য মোতায়েন করেছে নির্বাচন কমিশন। অন্যদিকে, স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে গত ৩ ডিসেম্বর থেকে মাঠে নেমেছেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। ভোট অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে এরই মধ্যে বিভাগীয় পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), ওসি, উপপরিদর্শকসহ (এসআই) সারা দেশের পুলিশ ও প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদলও করেছে ইসি। এ ছাড়া গত শুক্রবার থেকে মাঠে নেমেছেন সাড়ে ৬০০ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।

কেন্দ্রে ব্যালট পৌঁছানোর চ্যালেঞ্জ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনের ভোট রাতে হয়েছে বলে দেশে-বিদেশে একটা প্রচারণা আছে। এই বিতর্ক এড়াতে এবার আগে থেকেই নির্বাচনের ব্যালট পেপার ভোটের দিন সকালেই কেন্দ্রে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আপত্তি ছিল। তবে বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সে হিসেবে আজ সকালে ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সকালে যাচ্ছে ব্যালট পেপার।

ঝুঁকিতে ভোটকেন্দ্র

বিএনপিবিহীন নির্বাচনে সরকারি দলের শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। ফলে যেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন, সেই আসনগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে। পুলিশ ও গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ১০ হাজার কেন্দ্রকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বা ঝুঁকিপূর্ণ ও ৩০০ ভোটকেন্দ্রকে ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করে তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এসব কেন্দ্রে অতিরিক্ত অস্ত্রধারী নিরাপত্তারক্ষী রাখারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেকটি ভোটকেন্দ্রে ১৫ থেকে ১৭ সদস্যের একটি নিরাপত্তা দল মোতায়েন থাকবে, যাদের মধ্যে পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা রয়েছেন। এর বাইরে বিজিবি, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), সেনাবাহিনী ও উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের সদস্যরাও থাকবেন।

ঢাকার বাইরে বিভাগীয় শহরগুলোর ভোটকেন্দ্রের ৭০ থেকে ৮০ ভাগই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। যে কারণে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নির্বাচনে চোখ দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকের

নির্বাচন ঘিরে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের চোখ এখন বাংলাদেশের দিকে। বিএনপিবিহীন ভোটে কি হয় তা গভীর পর্যবেক্ষণে রাখছেন তারা। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত দুই শতাধিক পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিককে অনুমোদন দিয়েছে তারা।

এ ছাড়া নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দেশি ২০ হাজার ৭৭৩ জন পর্যবেক্ষককে অনুমোদন দিয়েছে ইসি। তাদের মধ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে ৪০টি পর্যবেক্ষক সংস্থার ৫১৭ জন এবং স্থানীয়ভাবে ৮৪টি পর্যবেক্ষণ সংস্থার ২০ হাজার ২৫৬ জন ভোট পর্যবেক্ষণ করবেন।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেকোনো ধরনের অনিয়ম বা অনভিপ্রেত ঘটনা কিংবা সহিংস কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করতে অভিযোগ দেওয়া যাবে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ। সম্প্রতি নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুন্দর রাখতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা পরিপত্র থেকে বিষয়টি জানা গেছে।

নির্বাচনে ৭৪৬টি শোকজ

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণাকে কেন্দ্র করে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে প্রার্থী-সমর্থকদের বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে এ পর্যন্ত ৭৪৬টি শোকজ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রতিবেদন হয়েছে ৪৯৯টি, নথিতে উপস্থাপিত ও অনুমোদিত প্রতিবেদনের সংখ্যা ১৮৮টি, নথিতে উপস্থাপিত ও অনুমোদনের অপেক্ষমাণ প্রতিবেদনের সংখ্যা ১২৩টি আর চলমান রয়েছে ১৮৮টি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত