চট্টগ্রাম-১২

ঈগলের এজেন্ট নেই, কেন্দ্র দখলের অভিযোগ হুইপের

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২৪, ১২:৩৩ পিএম

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সামশুল হক চৌধুরীর পোলিং এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভোট শুরুর পর থেকেই কেন্দ্রগুলোয় দেখা মেলেনি ঈগল প্রতীকের এজেন্টদের। অন্তত ১০টি কেন্দ্রে ঘুরে দেখা যায় এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বা বের করে দেওয়া হয়।

আজ সকাল ৮টায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার প্রথম এক ঘণ্টায় চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের ৫টি কেন্দ্রে তেমন ভোটার উপস্থিতি দেখা যায়নি। সকাল ৯টা পর্যন্ত ৫টি কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, কোথাও ২০ জন, কোথাও ৮ জন ভোটার।

সকাল ৮টায় পূর্ব মনসা আশরাফিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কোনো এজেন্ট নেই। নারী ভোটার না থাকলেও ১৮-২০ জনের মতো পুরুষ ভোটার ছিলেন। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার পাঁচ হাজার ১০৬ জন।

ওই কেন্দ্রের সামনে কথা হয় জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর বোন সুলতানা ইয়াসমিন রেখার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এজেন্টদের কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।’

লড়িহরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট ভোটার তিন হাজার ৯৮ জন। সেখানে গিয়ে মাত্র চারজন পুরুষ ভোটার ও তিনজন নারী ভোটার দেখা যায়। সে কেন্দ্রে ১০টি বুথ থাকলেও ঈগলের এজেন্ট ছিলেন তিন বুথে।

সাড়ে ৯টার দিকে পটিয়া সদরের আল্লাই ওখারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে ৩০ থেকে ৫০ জন ব্যক্তি দাঁড়ানো ছিলেন। তাদের বেশির ভাগই নৌকার সমর্থক।

আব্দুস সোবহান রাহাত আলী স্কুলে দুপুর ১১.৪০-এ গিয়ে দেখা যায়, সেখানে উপস্থিত ছিলেন না হুইপ শামসুল ইসলামের কোন পোলিং এজেন্ট। কেন্দ্রে উপস্থিত নৌকার এজেন্টকে ভোটারদের সঙ্গে গোপন রুম পর্যন্ত যেতে দেখা যায়। তবে উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা সাংবাদিকদের বের করে দেয়ার চেষ্টা করেন।

১২টা ৫ মিনিটের দিকে আব্দুস সোবহান রাহাত আলী স্কুল কেন্দ্রে পরিদর্শনে আসেন হুইপ সামশুল হক চৌধুরী। দেশ রূপান্তরকে তিনি বলেন, ‘আমার ৫০ কেন্দ্রের ৩০০ এজেন্টকে বের করে দেওয়া হয়েছে। পথে পথে সন্ত্রাসী দিয়ে ভোটার আটকানো হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই যাবৎ যত কেন্দ্রে গিয়েছি সেখানেই ভোট জালিয়াতি হচ্ছে। আমার কর্মীসহ আমার ছেলে ও প্রধান নির্বাচনী এজেন্টকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে ডিবি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত