হিলি বন্দরে রাজস্ব আদায় ২৬১ কোটি টাকা

আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০২৪, ০১:২৭ এএম

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে প্রথম ছয় মাস (জুলাই-ডিসেম্বর) পর্যন্ত রাজস্ব আহরণ হয়েছে ২৬১ কোটি ১৮ লাখ টাকা; যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৮ কোটি ২ লাখ টাকা বেশি। বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানির পরিমাণ কমলেও শুল্কায়ন মূল্য বাড়ানোয় রাজস্ব আহরণ বেড়েছে দাবি কর্তৃপক্ষের।

হিলি স্থল শুল্ক স্টেশন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই  থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দর থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছে ২৬১ কোটি লাখ ১৮ লাখ টাকা। গত একই সময়ে আদায় হয়েছিল ২১৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা।

হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের উপকমিশনার বায়েজিদ হোসেন বলেন, সাধারণত গত অর্থবছরে স্থলবন্দর থেকে যে পরিমাণ রাজস্ব আহরণ হয় তার ওপর ৩০ ভাগ বাড়িয়ে নতুন অর্থবছরের রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয় এনবিআর। তবে এখন পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দরের জন্য নতুন অর্থবছরের কোনো লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়নি এনবিআর। হিলি স্থলবন্দর থেকে রাজস্ব আহরণের মূল পণ্য জিরা। এই বন্দর দিয়ে জিরা আমদানি বাড়লে রাজস্ব আহরণ বাড়বে আর আমদানি কমলে রাজস্ব আহরণ কমবে এটাই স্বাভাবিক। তবে এনবিআর জিরা আমদানির ক্ষেত্রে শুল্কায়ন মূল্য দ্বিগুণের মতো বাড়িয়েছে।

আগে প্রতি টন জিরা ১ হাজার ৮০০ ডলারে শুল্কায়ন করা হলেও সেটি বাড়িয়ে এখন ৩ হাজার ৫০০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে করে বন্দর দিয়ে জিরার আমদানি কিন্তু অনেকাংশে কমেছে। তবে আমদানি কমলেও শুল্কায়ন মূল্য বাড়ানোয় রাজস্ব আহরণ বেড়েছে। সেই সঙ্গে ডলারের মূল্য বাড়ার ফলেও রাজস্ব আহরণ কিছুটা বেড়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত