একজন জননন্দিত চিত্রপরিচালক। ফখরুল ইসলাম মানিক নামে অনেকেই তাকে চেনেন না। কিন্তু এফ আই মানিক বললে এক নামে চেনা যায়। ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই জনপ্রিয় পরিচালক এসেছিলেন দেশ রূপান্তরে। এখনো তারুণ্যের চাঞ্চল্য তাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। কী যে উচ্ছল মানুষ তিনি! কথা বলেন প্রাণখুলে। চারদিকে সব আড্ডাবাজের নানামুখী প্রশ্ন। অনবরত উত্তর দিচ্ছেন হেসে হেসে। আড্ডার সেই মিনি সেটে ছিলেন সহকারী সম্পাদক তাপস রায়হান, হেড অব ডিজিটাল আপেল মাহমুদ, সিনিয়র সহ-সম্পাদক সালাহ উদ্দিন শুভ্র এবং সিনিয়র সহ-সম্পাদক মাহতাব হোসেন।
ক্যামেরার বাইরে ছিলেন ডিজিটাল প্রযোজক লিটু হাসান।
তখনো আড্ডা শুরু হয়নি। সবার সঙ্গে কথা হচ্ছে এলোমেলো। তিনি বলছেন, আমার বাড়ি চট্টগ্রাম। জন্ম হয়েছে লক্ষ্মীপুর। সেই ১৯৫৯ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। তিনি চোখ বন্ধ করে বললেন আব্বা মারা গেছেন ২০ বছর আগে। তার চাকরিজীবন শুরু হয়েছিল রাচীতে। তিনি হেসে হেসে সব প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন। স্বপ্নের বাসর, পিতার আসন, দাদিমা, কোটি টাকার কাবিন, চাচ্চু, মাই নেম ইজ সুলতান, জজ ব্যারিস্টার পুলিশ কমিশনার চলচ্চিত্রগুলো ঝড় তোলে ঢাকাই চলচ্চিত্রে। ১৯৮৬ থেকে এ পর্যন্ত তার ৬৩টি চলচ্চিত্র মুক্তি পেয়েছে।
তাপস রায়হান : আপনি একজন ব্যস্ত পরিচালক ছিলেন। কিন্তু পর্দায় দেখা যায় না অনেক দিন। এর কারণ কী?
এফ আই মানিক : (ঠোঁট চেপে হাসলেন) আসলে এখন তো আর আমাদের ইন্ডাস্ট্রি আগের মতো নেই। বলতে গেলে, ধ্বংসের শেষ পর্যায়ে। সত্যি বলতে কী, কেন যে বেঁচে আছি তাও জানি না। তবু আমি পর্যবেক্ষণ করছি, আমাদের ইন্ডাস্ট্রি আসলে কোন দিকে যাচ্ছে?
তাপস রায়হান : আপনার এই হতাশার কারণ কী? আমাদের বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির সবকিছুই কি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে?
এফ আই মানিক : এখন চলচ্চিত্রে কোনো কাহিনি নেই, সেট নেই, পোশাক নেই, লাইট নেই, ক্যামেরার কাজ নেই, গান নেই। সব, সব শেষ। ভুল পরিকল্পনার কারণে সব শেষ। আবার গড়ে তুলতে হবে। এর জন্য এককভাবে কোনো পক্ষ দায়ী নয়। তবে মনে হয়, নতুন একটি ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলার জন্য এখনো আমরা বেঁচে আছি। একটি ছেলেকে আমিই চলচ্চিত্রে নিয়ে আসি। বর্তমানে জনপ্রিয় একজন নায়ক, সুুপার স্টার । বললেন একটি গ্যাপের পরে দেখবেন, অনেক পরিবর্তন থাকে। এখন আমি সেটা ধরে ফেলেছি। বুঝেছি, বিষয়টি কী?
মাহতাব হোসেন : সেই ছেলেটি কে? কীভাবে তাকে চলচ্চিত্রে নিয়ে এলেন?
এফ আই মানিক : এই ছেলেটার নাম পরে বলি। আগে ঘটনাটা শেয়ার করি। এটা বেশ লম্বা ঘটনা। একসময় আমি ঝিনুক কথাচিত্রে কাজ করতাম। প্রযোজক ছিলেন রফিকুল ইসলাম। একদিন সাংবাদিক ইয়াসিন বাবুল, কাজ করত ‘চিত্রালী’তে, সালাম দিয়ে আমাকে বলল ভাই, আপনি তো অনেককে নিয়ে কাজ করেন। দেখেন তো, ওকে দিয়ে কিছু হবে কিনা? ও আমার ছোট ভাই। আমি তাকে দেখার পর মনে হলো, আসলে এই মুহূর্তে কোনো প্রোডিউসার বা ডিরেক্টর তাকে নিয়ে কাজ করবে না। রোগা টাইপের একটা ছেলে। তবু আমার মনে হলো, ছেলেটার মধ্যে একটা পবিত্র শিশুসুলভ বিষয় আছে। (হাততালি দিয়ে বললেন) এইটাই ওর জন্য হলো বিশাল প্লাস পয়েন্ট। তখন আমি আমার প্রোডিউসারকে বললাম। তিনি বললেন এটা সম্পূর্ণ আপনার বিষয়। যদি মনে করেন, আপনার কাজ হবে, তাহলে আর সমস্যা কী? আমি বললাম না, এখনই না। ওকে তৈরি করতে হবে। ৩ মাসের একটা গ্রুমিং জার্নি ছিল। এরপর যখন আমি ওকে পেলাম, তখন দেখলাম হাঁটাচলা, বডি ল্যাঙ্গুয়েজসহ অনেক কিছুই আয়ত্তে এনেছে। এরপর একটা সেলুনে নিয়ে ওকে আমার চাওয়া মতো স্টাইলে নিয়ে আসার চেষ্টা করলাম। তারপর টি-শার্ট আর অন্যান্য কাপড় নিলাম। মনে হলো বাহ্, এবার কিছুটা চলবে। এরপর ওকে ১৫ দিনের জন্য কিছু কাজ দিলাম। তখন আমি দুটো স্ক্রিপ্টের ওপর কাজ করছি। ওকে বললাম আচ্ছা, তুমি তো আমার হোটেলে আসলা ১৫ দিন। জোরে কোনো কথা বলো না কেন? ও একদম লো ভয়েসে বলল জি। আমি একটু চিৎকার দিয়েই বললাম এই, তুমি আর ১-২ মাস পরে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াবা। তোমার কণ্ঠে তো পুরুষালি ব্যাপারটাই নেই। তাহলে তোমাকে নিয়ে কীভাবে কাজ করব? তখন আমার সঙ্গে নাটকের একজন বন্ধু ছিল। সে এটা লক্ষ করেছিল। আমাকে বলল আসলেই কি আপনি এই ছেলেটাকে নিয়ে কাজ করবেন? আমরা এখানে সব সিনিয়ররা আসি আড্ডা মারতে। এই পরিবেশে একটা ছেলে এসে বসে থাকবে, এটা কেমন দেখায়? তখন সে বলল মিয়া ভাই, আমাকে এই ছেলেটা দেন কিছু সময়ের জন্য। আমি বললাম, নেন। এরপর সে ছেলেটাকে বলল তুমি কি সকাল ৭টায় মোহাম্মদপুর নুরজাহান রোডের কমিউনিটি সেন্টারে আসতে পারবা? আমার সঙ্গে কিন্তু টানা ২ মাস কাজ করতে হবে? এই ছেলেটি থাকে যাত্রাবাড়ী। আমি জানি, ওর পকেটে ৫টি টাকাও নেই। ওকে প্রতিদিন ২০ টাকা দেওয়া হতো। সে বাসে করে যাত্রাবাড়ী যেত আর আসত। গাড়ি থেকে নামত, মোহাম্মদপুর টাউন হলে। সেখান থেকে হেঁটে নূরজাহান রোড। ২ মাসের মাথায় আমি একদিন সেখানে গেলাম। গিয়েছিলাম ওর পজিশন দেখতে। কারণ কিছুদিন পরই শুটিং। দেখলাম, ছেলেটি ট্রাউজার পরে লাফাচ্ছে। আর মাথার চুল থেকে ঘাম ঝরছে অনবরত। তখন খোকন ভাই বলল, এখন আপনি ওকে নিয়ে কাজ করতে পারেন। ওর ভয়েস, স্টাইল, মুভমেন্টসহ কিছু বিষয় দেখলাম। তখন মনে হলো নাহ, এবার ছেলেটিকে নিয়ে কাজ করতে পারি। এরপর তো ছবির শুটিংয়েরও অনেক ঘটনা। ছবিটি ছিল সবাই তো সুখি হতে চায়। আর ছেলেটির নাম শাকিব খান। আমি জানতাম, এই ছবি চলবে না। প্রোডিউসারকে বলেছিলাম, ১ টাকাও আপনি ছবি থেকে পাবেন না।
মাহতাব হোসেন : তাহলে কি শাকিব খানের প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র এটাই?
এফ আই মানিক : না, এখানে অনেক ঘটনা আছে। সোহানুর রহমান সোহানের ‘অনন্ত ভালোবাসা’। মৌসুমীর ছোট বোন ইরিন জামানের সঙ্গে মিলে এই ছবি করল। সেখানেও অনেক কথা। আমারটা আগে হলেও, রিলিজ হলো ওরটা আগে।
মাহতাব হোসেন : তাহলে এই হলো শাকিব খানের শুরুর ঘটনা। এরপর তো আপনি শাকিব খানকে নিয়ে অনেক ছবি করেছেন? প্রথম কোন ছবিতে তাকে নিয়ে সাফল্য পেলেন?
এফ আই মানিক : ফুল নেবো না অশ্রু নেবো। এটা ছিল সুপারহিট ছবি। ওখানে আমিন খানও ছিল। এরপর রিয়াজের সঙ্গে ‘স্বপ্নের বাসর’ ছবিটিও হিট হলো। এরপর চলছে তো চলছেই...। একদিন ওকে বললাম, একজন শিল্পী রাস্তায় রাস্তায় ঘুরলে, দর্শক কিন্তু তাকে গ্রহণ করবে না। টিকিট কেটে হলে ছবি দেখবে না। তোমাকে পরিচালক, প্রযোজকরা সবসময় পাবে না, তা তো হবে না। এরপর ওকে পাঠানো হলো প্রথমে মগবাজারে তারপর পান্থপথে। আস্তে আস্তে দেখলাম, কাজের প্রতি ওর সিনসিয়ারিটি আরও বেড়েছে। একসময় শৃঙ্খলার মধ্যে এলো। তারপর ওকে কিছু কথা বললাম।
সালাহ উদ্দিন শুভ্র : আমরা একটু শুরুর দিকে যাই। এফডিসিতে আপনার পথচলা কীভাবে?
এফ আই মানিক : তখন আমি থাকি সেন্ট্রাল রোডে। এখান থেকে প্রায়ই রামপুরা টেলিভিশনে যেতাম। এটা ১৯৭৪ সালের মাঝামাঝি সময়ের কথা। মনে হয়, জুন-জুলাই মাস। তখন বিটিভির জিএম মোস্তফা মনোয়ারের একটা অনুষ্ঠান হচ্ছিল, ‘রক্তকরবী’ নামে। সেখানে ডিজাইনার মহিউদ্দিন ফারুক সেট বানাচ্ছিলেন। একসময় তিনি আমাকে বললেন মানিক, এই মিডিয়া তোমার জন্য না। আজ সন্ধ্যার পর তোমাকে একটা জায়গায় নিয়ে যাব। এরপর আমরা মিউজিক কলেজে যাই। দেখি, সেখানে অনেকেই। সৈয়দ হাসান ইমাম, মহিউদ্দিন স্যার, হাবিবুর রহমান খানসহ অনেকেই। এরপর এ.জে. মিন্টু, ফখরুল হাসান বৈরাগী, প্রবীর মিত্রসহ অনেককেই পেলাম। এরপর ছটকু আহমদের সঙ্গে পরিচেয় হলো। সেই থেকে পথচলা।
তাপস রায়হান : চলচ্চিত্রে জুটি প্রথার বিষয়টি কীভাবে দেখেন?
এফ আই মানিক : আসলে এটা তো অনেক আগে থেকেই চলছে। সেই কলকাতার ছবিতে যদি বলি, উত্তম-সুচিত্রা। আমাদের রাজ্জাক-কবরী। এরপর যারাই চলচ্চিত্রে এসেছে, সেভাবে জুটি গড়ে তুলতে পারেনি।
আপেল মাহমুদ : মান্না-শাবনূরের একটা জুটি ছিল। এ বিষয়ে কিছু জানতে চাইছি?
এফ আই মানিক : মান্না-শাবনূরকে একসঙ্গে করার জন্য, অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। এসব আসলে একেকটি লম্বা ইতিহাস। একসময় শুনলাম, মান্না চাইছে যাতে শাবনূর ওর সঙ্গে অভিনয় করে। একদিন মান্না আমাকে বলল, আমার হাউজ থেকে আপনি একটা ছবি করেন। আমি বললাম, আপনি তো অ্যাকশন হিরো। আমি করতে চাই, সামাজিক ছবি। এরপর শাবনূরকে ঠিক করলাম। কিন্তু অনেকেই মান্নার সঙ্গে কাজ করতে রাজি হচ্ছিল না। তবু একসময় শুটিং শেষ হলো।
সালাহ উদ্দিন শুভ্র : মান্নাকে কীভাবে দেখেছেন? ছোট করে বলবেন?
এফ আই মানিক : একসময় জসিম আমার খুব প্রিয় ছিল। আমি লক্ষ করলাম, মান্না নিজের কথা ভাবে না। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির কথা ভাবে। ও সবসময়ই সিনেমার কথা বলত। সেটা বোঝা গেছে, ওর মৃত্যুর পর।
সালাহ উদ্দিন শুভ্র : মান্নার জনপ্রিয়তা নিয়ে কিছু বলবেন?
এফ আই মানিক : এককথায় বলতে গেলে, ওর মৃত্যুর পর দেশের প্রান্তিক অঞ্চলের অনেক দর্শক হলে সিনেমা দেখা ছেড়ে দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখনো অনেকেই কাঁদতে কাঁদতে ফোন করে।
আপেল মাহমুদ : আপনি তো একসময় অশ্লীলতার কারণে ফিল্ম বানানো ছেড়ে দিলেন। এরপর কেন শুরু করলেন?
এফ আই মানিক : সেটা ২০০৬ সালের কথা। একদিন ডিপজলের ফোন পেলাম। বললাম ভাই, আমি তো আর ছবি বানাব না? তিনি বললেন মানিক ভাই, আপনে কোথায়? বললাম, আপনার পাশেই। তখন আমি সাভারে। কারণ সেলিম ভাই, বাচ্চু ভাই মিলে আমরা নাটকের ইতিহাস এবং চলচ্চিত্রের ইতিহাস নিয়ে একটা কাজ করব। যাই হোক, এরপর একটু ভয় নিয়ে ডিপজলের কাছে গেলাম। তারপর ওর ব্যবহার এবং কিছু বিষয় আমাকে দুর্বল করে দিল। আমি আবার ছবি বানানো শুরু করলাম। এবার যেহেতু শক্তি এবং অর্থ আমার পাশে থাকবে, ফলে আমি কাজ করে যাব নিশ্চিন্তে। ব্যস, শুরু হলো। আমি তো তখন অনেক ব্যস্ত পরিচালক। এরপর আমি সামাজিক একটি ছবি বানানোর কাজ শুরু করলাম। তখন শাবনূর বা পূর্ণিমা কেউ ডিপজলের সঙ্গে অভিনয় করবে না। কী করি? ফোন করলাম, সুমাইয়া শিমুকে? ও রাজি হলো। তখন তো ও নাটকের স্টার। আমার আসলে পারফর্মার দরকার। পারফর্মার হলে ভালো, আবার কাদামাটি হলেও সমস্যা নেই। আমি দুই সাইডেই কাজ করতে পারি। তারপরও সমস্যা হলো। সে অনেক লম্বা ঘটনা। এরপর অপু বিশ^াসের খোঁজ পেলাম। সে ফিল্মের ব্যাপারে খুবই সিরিয়াস ছিল।
তাপস রায়হান : এ পর্যন্ত কতগুলো ছবি করেছেন? আরেকটি বিষয় হচ্ছে আপনি তো মান্না, রিয়াজ, মৌসুমী, শাবনূর, পূর্ণিমা সবাইকে নিয়ে কাজ করেছেন। এর মধ্যে শুধু প্রয়াত হয়েছেন মান্না। অন্যদের বিষয়ে আপনার কথা কী?
এফ আই মানিক : ৬৩টা। সেটা বলা কঠিন না। আমার মনে হয়, মান্নার জনপ্রিয়তা কমতে অনেক সময় লাগবে। রাজ্জাক ভাইয়ের যেমন একটা লম্বা রেস রয়েছে, মান্নারও তেমনি। এখন কিন্তু আমাদের ফিল্মের আগের চেহারা নেই। সেটা যে কারণেই হোক। সেটা দারিদ্র্য হোক বা অন্য কিছু। সেই সেট নেই। তবে একটা নতুন স্বপ্ন জেগে উঠেছে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে। বর্তমানে যেসব তরুণ মেধাবী ছেলে-মেয়েরা আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে আসছে ওদের পড়াশোনা এবং চিন্তাশক্তি দেখে আমি অভিভূত। এ কারণেই স্বপ্ন দেখা শুরু করেছি। জাস্ট ফিল্মের ল্যাঙ্গুয়েজের সঙ্গে এদের সংযোগটা আরও বাড়িয়ে তুলতে হবে।
সালাহউদ্দিন শুভ্র : আপনি আবার চলচ্চিত্র নির্মাণে হাত দিচ্ছেন। প্রযোজক চূড়ান্ত হয়েছে?
এফ আই মানিক : (হাসতে হাসতে বললেন) সময় আসুক। দেইখেন, কী হয়!
শেষে বললেন আমি একটু রিলিফ হতে চাই। আমার একটাই ছেলে। ওর মা এবং ছেলেকে দ্রুত লন্ডন পাঠিয়ে দেব। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেছিলাম, সেটা আবার শুরু করতে চাই। ইনশাল্লাহ, স্বপ্নের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠবেই।
উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র
সুলতান
ভাইয়া
ফুল নেবো না অশ্রু নেবো
স্বামী স্ত্রীর যুদ্ধ
হৃদয়ের বন্ধন
দুই বধূ এক স্বামী
বিদ্রোহী সালাউদ্দিন
বাপ বেটার লড়াই
মান্না ভাই
রণাঙ্গন
পিতা মাতার আমানত
মায়ের মত ভাবি
সবার উপরে তুমি
চিরদিন আমি তোমার
মায়ের হাতে বেহেস্তের চাবি
আমার স্বপ্ন আমার সংসার
দুই পৃথিবী
এ দেশ তোমার আমার
গ্রন্থনা : অনিন্দিতা আচার্য
ছবি : আবুল কালাম আজাদ
লোকেশন : গ্রিন লাউঞ্জ
