রাজস্ব ঘাটতি ২৩ হাজার কোটি টাকা

আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০২৪, ০৮:১৬ এএম

চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব ঘাটতি রয়েছে ২৩ হাজার ২২৭ কোটি ১৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে ডিসেম্বর মাসেই ঘাটতি ৬ হাজার ৭৮২ কোটি ২১ লাখ টাকা।

তবে ঘাটতি থাকলেও এ সময়ে রাজস্ব আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে বেড়েছে ১৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৮৮ ভাগ অর্জিত হলেও বড় ঘাটতি এড়াতে পারেনি সরকারি সংস্থাটি। গতকাল বৃহস্পতিবার এনবিআরের পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এনবিআরের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭৫৬ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে সরকারের খাতায় রাজস্ব জমা হয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

জিডিপির তুলনায় দেশের কর আদায়ের হার শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছিল আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল। এনবিআরের সমীক্ষা অনুযায়ী, এনবিআরের বিভিন্ন খাতে ছাড় এবং কর অব্যাহতি মোট জিডিপির ২ দশমিক ২৮ শতাংশ। কর অব্যাহতি না দিলে কর-জিডিপি অনুপাত ১০ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ হবে।

এনবিআরের পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, আমদানি ও রপ্তানি পর্যায়ে রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ ৮ হাজার ৫৬৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। একই সময়ে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাটে ঘাটতি হয়েছে ৬ হাজার ৭০ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। আর আয়কর খাতে ঘাটতির পরিমাণ ৮ হাজার ৫৯২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

এনবিআরের তথ্যানুযায়ী, ওই সময়ে আমদানি খাতে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৫৭ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা। আর আদায় হয়েছে ৪৯ হাজার ৬৮ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। ডিসেম্বর পর্যন্ত ভ্যাট আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭০ হাজার ৮০৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। যার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৬৪ হাজার ৭৩৭ কোটি ২০ লাখ টাকা।

এ ছাড়া ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ওই সময়ে আয়কর ও ভ্রমণকর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬০ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা। যার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৫১ হাজার ৮২৪ কোটি ২ লাখ টাকা।

চলতি অর্থবছরে এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে মূসক থেকে ১ লাখ ৫৯ হাজার ১০০ কোটি, আয়কর থেকে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮০০ কোটি ও আমদানি-রপ্তানি শুল্ক থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার ১০০ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত