সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৪, ০৬:৩০ এএম

প্রায় পাঁচ বছর ধরে কর্মস্থলে না গিয়েও নিয়মিত বেতন তুলেছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের জুনিয়র সেকশন অফিসার মো. আবদুল ওয়াহেদ খান টিটু। এ সময় তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনে মেয়রের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে। বছরের পর বছর অফিস না করায় গত বছর রুয়েট কর্তৃপক্ষ টিটুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। রুয়েটের সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, টিটুকে এই পাঁচ বছরে নেওয়া বেতনের টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে তিনি টাকা ফেরত না দিয়ে রুয়েট সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেছেন।

এরপর গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর টিটুকে অননুমোদিত অনুপস্থিতির অভিযোগে অভিযুক্ত করে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নোটিসের জবাব অসন্তোষজনক ও অগ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয় এবং গত বছরের ১১ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক আদেশে টিটুকে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে রূপালী ব্যাংক রুয়েট শাখার সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে বেতন-ভাতাদি বাবদ দেওয়া ২২ লাখ ১৮ হাজার ১৯ টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে সেই টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৮তম সিন্ডিকেট সভার ১০ নম্বর আলোচ্যসূচির বিষয়ে গৃহীত সিদ্ধান্ত বেআইনি ও ন্যায়বিচার পরিপন্থী উল্লেখ করে তা বাতিলের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেন।

অভিযুক্ত রুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের জুনিয়র সেকশন অফিসার মো. আবদুল ওয়াহেদ খান টিটু বলেন, ‘৯৮তম সিন্ডিকেটে রুয়েট থেকে আমি যে বেতন-ভাতা পেয়েছি, তা ফেরত দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। এমন সিদ্ধান্ত বাতিল চেয়ে আমি রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেছি। কিন্তু এখনো রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে কোনো নির্দেশনা আসেনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত