কিছুদিন আগেই ফাঁস হয় খবরটি। অভিযোগ উঠে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন কারাগারে ১৯৬ শিশুর জন্ম হয়েছে। এসব শিশুর অনেকে স্কুলেও যাচ্ছে। খবরটি ফাঁস হতেই শোরগোল পড়ে যায় সর্বত্র। এ নিয়ে মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। পরে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে অভিযোগ আমলে নেয় সুপ্রিম কোর্ট।
কারাগারে যাতে পুরুষের প্রবেশ বন্ধ করা হয়, সেই দাবিতে হওয়া মামলায় রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি)। মামলায় অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে রয়েছেন গৌরব আগরওয়াল। খবর ডেকান হেরাল্ডের।
তিনি জানিয়েছেন, যারা সন্তান প্রসব করেছে, তাদের মধ্যে বেশিরভাগ নারী জেলের বাইরেই অন্তঃসত্ত্বা হয়েছিল। অনেক নারী প্যারোলে বাড়ি ফিরেছিল। তারপর অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় জেলে ফিরেছে। পশ্চিমবঙ্গের জেলের এডিজি ও আইজি জানিয়েছেন, গত চার বছরে রাজ্যের জেলে ৬২ সন্তানের জন্ম হয়েছে।
কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সে ব্যাপারেও কিছু পরামর্শ দিয়েছেন আইনজীবী গৌরব আগরওয়াল। তার মতে, নারীবন্দি রয়েছে এমন জেলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন, তা খতিয়ে দেখতে হবে জেলার বিচার বিভাগীয় নারী কর্মকর্তাকে। সঙ্গে থাকতে হবে জেলার সর্বোচ্চ পদমর্যাদার নারী পুলিশ অফিসার।
এছাড়া জেলে নারীদের দেখাশোনা করার জন্য যথেষ্ট ব্যবস্থা আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। নারীদের জেলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা তথা পরিকাঠামো আরও উন্নত করতে হবে। পাশাপাশি জেলে যে সব শিশু রয়েছে, তাদের দেখভাল করার কথাও বলেছেন তিনি।
এর আগে জেল সংক্রান্ত মামলায় অ্যামিকাস কিউরি তাপস ভঞ্জ অভিযোগ করেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ছে নারীরা। বিভিন্ন জেলে ১৯৬ শিশুর জন্ম হয়েছে। তিনি কারাগারে অবিলম্বে পুরুষের প্রবেশ বন্ধ করার আর্জি জানিয়েছিলেন।
