উদ্ধারের ২৪০ পিস ইয়াবা গেল কই?

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০২৪, ০৭:৫৫ পিএম

পটুয়াখালীর বাউফলে পলাশ গাজী (২৭) ও আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে পলাশ (২৫) নামের দুই ব্যক্তিকে ৩১০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হলেও ৭০ পিস ইয়াবা উদ্ধার দেখিয়ে বাকি ২৪০ পিস ইয়াবা গায়েব করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বাউফল থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। অবশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)। গ্রেপ্তারকৃতদের রবিবার (৩ মার্চ) সকালে পটুয়াখালী আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, শনিবার দুপুরে পৌর শহরের বাজার রোড থেকে আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে পলাশ এবং গার্লস স্কুল সড়ক থেকে পলাশ গাজী নামের ২ ব্যক্তিকে মোট ৩১০ পিস ইয়াবাসহ আটক করে বাউফল থানার এসআই মনমথ হালদার। এরমধ্যে আব্দুলাহ আল মামুন ওরফে পলাশের নিকট থেকে ৬০ পিস ও পলাশ গাজীর নিকট থেকে ২৫০ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অথচ মামলার এজাহারে আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে পলাশের কাছ থেকে ১০ পিস এবং পলাশ গাজীর কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা উদ্ধারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাহলে ২৪০ পিস ইয়াবা কোথায় গেল? 

এ মামলায় স্থানীয় দুই ব্যক্তিকে সাক্ষী করা হয়েছে। অথচ কত পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি তাদেরকে। এমনকি তাদের সামনেও ইয়াবার প্যাকেট খোলা হয়নি। সাক্ষীদের ভাষ্যমতে তাদেরকে এসে একটি কাগজে স্বাক্ষর চাওয়া হয়েছে তারা স্বাক্ষর দিয়েছেন। কেন বা কী কারণে স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে তা জানেন না তারা।

অভিযোগ রয়েছে কয়েকজন প্রভাবশালীর যোগসাজশে এসআই মনমথ হালদার অনৈতিক সুবিধা নিয়ে মামলার এজাহারে ইয়াবা উদ্ধারের সংখ্যা কমিয়ে দেখিয়েছেন। এ সংক্রান্ত কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড সংরক্ষণে আছে।

এ ব্যাপারে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোনিত কুমার গায়েন বলেন, এ বিষয়টি  আমার সার্কেল সাহেব জানেন, আমার তদন্ত সাহেব জানেন।  প্রথম ছেলের কাছ থেকে ১০ পিস, দ্বিতীয় ছেলের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়ছে। ৩১০ পিস ইয়াবা উদ্ধারের বিষয়টি সত্য নয়। এক প্রশ্নের জবাবে ওসি আরও বলেন, বহিরাগত কিছু ব্যক্তি দরকষাকষিতে ব্যর্থ হয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে এ রিউমারটি ছড়িয়ে দিয়েছে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত