ইফতারি
পণ্যের দাম বাড়ার প্রভাব ইফতারির বাজারে পড়েছে। বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বছর তারা কম-বেশি ১৫টি আইটেম বিক্রি করেছেন। কিন্তু এবার তাদের বিক্রি সীমাবদ্ধ ৪-৫টি আইটেমে। প্রথম রোজার দিন গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বাজারের যে চিত্র দেখা গেছে, তাতে বোঝা যায় এবার মানুষ ইফতারি থেকে অনেক আইটেম বাদ দিচ্ছেন।
সাহরি
বেসরকারি চাকরিজীবী রবিউল ইসলাম রাফি। বাবা-মা-স্ত্রী, সন্তানসহ পাঁচজনের পরিবার নিয়ে রাজধানীর হাতিরঝিলে থাকেন। ঊর্ধ্বগতির বাজারে প্রতি মাসে যা আয় করতেন তা দিয়ে টেনেটুনে সংসার চালিয়ে নিচ্ছিলেন। কিন্তু রমজান মাস কেন্দ্র করে বাজারে ভোগ্যপণ্যের দামে যে উত্তাপ ছড়াচ্ছে, এতে রাফির সংসারের ব্যয় সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। উপায়ান্তর না দেখে এ বেসরকারি চাকরিজীবী পাত থেকে মাছ-মাংসের পরিমাণ ছেঁটে রোজায় খরচ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন। মাছের টুকরো পাতলা হচ্ছে, মাংসের টুকরো ছোট হচ্ছে।
অনুষঙ্গ
রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী আশিক আহমেদ। থাকেন ফার্মগেট এলাকায়। রোজার প্রথম দিন গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ইফতারিসহ অন্য আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র কিনতে বাড়ি থেকে তালিকা করে আসেন কারওয়ান বাজারে। প্রথম রোজায় বাসা থেকে করে আনা ইফতারির লিখিত তালিকায় রেখেছিলেন আঙুর, কলা, মাল্টা, তরমুজ ও পেয়ারা। সে অনুযায়ী হিসাব করে টাকাও নিয়ে আসেন তিনি। কারণ ইফতারে ফলের সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্য সামগ্রীও কিনতে হবে। কিন্তু ফল কিনতে গিয়ে হতবাক। এক দিনের ব্যবধানে দেশি ও বিদেশ থেকে আমদানি করা সব ফলের দামই কেজিতে বেড়েছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা।
পাতে কমছে পদ
মাছ মাংসের টুকরা ছোট
থালায় ফলের টান