বাংলালিংকের দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত

আপডেট : ২৫ মার্চ ২০২৪, ০৮:২৬ এএম

মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংকের দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। অপারেটরটির বার্ষিক আয় আগের বছরের তুলনায় ১৪ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ২০২৩ হিসাববছরে ৬ হাজার ১৫০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। বাংলালিংকের এই অর্জনে ভূমিকা রেখেছে এর ফোরজি গ্রাহকসংখ্যার উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি, ‘ডিজিটাল অপারেটর ১৪৪০’ কৌশলের সঠিক বাস্তবায়ন এবং দেশব্যাপী নেটওয়ার্কের উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ। 

এই কৌশলগত পদক্ষেপগুলো বাংলালিংককে দেশের সবচেয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, যা বাংলাদেশের ডিজিটাল সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন মান প্রতিষ্ঠা করেছে। সম্প্রতি, বাংলালিংক তার নেটওয়ার্ক কভারেজ দ্বিগুণ করেছে, তাদের টাওয়ার সংখ্যা বেড়েছে ১৬ হাজারের বেশি। বাংলালিংকের উচ্চগতি ও মানসম্মত নেটওয়ার্কের পাশাপাশি মাইবিএল সুপার অ্যাপ, টফি ও বিপ-এর মতো উদ্ভাবনী ডিজিটাল সেবাগুলো এই ভালো ফল অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলালিংকের গ্রাহকের সংখ্যা ৪ কোটি ৩৫ লাখ।

সম্প্রতি বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন প্রকাশিত ২০২৩ সালের বার্ষিক আয়ের প্রতিবেদন অনুসারে অপারেটরটির ফোরজি ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২৪ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ২ কোটি ফোরজি গ্রাহকের নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। ইতিমধ্যে ডিজিটাল স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বিনোদনের মতো ক্ষেত্রে বাংলালিংক তাদের ডিজিটাল সেবার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। বাংলালিংকের মাইবিএল সুপার অ্যাপ, দেশের টেলিকম খাতের প্রথম সুপার অ্যাপ, যা অন্য মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকরাও ব্যবহার করতে পারবে। অ্যাপটি ব্যবহারকারীদের প্রাত্যহিক জীবনকে করে তুলে আরও সহজ। গুগল-প্লে স্টোরের লাইফস্টাইল বিভাগে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে মাইবিএল সুপার অ্যাপ, যা এর জনপ্রিয়তা ও ব্যবহার উপযোগিতা প্রতিফলিত করে। ২০২৩-এ চতুর্থ প্রান্তিকে এর মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল, প্রায় ৮০ লাখ, যা ৩৬ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।  

বাংলালিংকের টফি বর্তমানে অডিও ও ভিডিও স্ট্রিমিং-সংবলিত দেশের শীর্ষস্থানীয় বিনোদন অ্যাপ্লিকেশন ও ওটিটি প্ল্যাটফর্ম। দেশের সব মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে গ্রাহকরা টফি ব্যবহার করতে পারেন। দেশজুড়ে বিস্তৃত ফোরজি নেটওয়ার্কের সুবিধা নিয়ে, বাংলালিংক গত চার বছরে বাংলাদেশের ‘দ্রুততম মোবাইল নেটওয়ার্ক’ হিসেবে ধারাবাহিকভাবে ওকলা স্পিডটেস্ট অ্যাওয়ার্ড জিতেছে, যা বাংলালিংকের ডেটা গ্রাহক বৃদ্ধিতে বিশেষ অবদান রেখেছে।

বাংলালিংকের সিইও এরিক অস বলেন, ‘উদ্ভাবন, বিশ্বাস ও মানসম্মত সেবা প্রদানের কারণেই বাংলালিংক দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে পেরেছে। গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দিয়ে, ডিজিটাল অপারেটর কৌশলের মাধ্যমে বাংলাদেশের ডিজিটাল সেবা খাতে আমরা আরও নতুন মাত্রা যোগ করতে চাই। দেশব্যাপী ব্যাপক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সারা দেশে আমাদের কভারেজকে দ্বিগুণ করেছি। সবচেয়ে বেশি গতি ও মানসম্মত নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করার মাধ্যমে মাইবিএল সুপার অ্যাপ, টফি ও বিপ-এর মতো উন্নত ডিজিটাল সেবাগুলোর মান আরও বাড়াতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত