কাতার বিশ্বকাপ শুরুর আগে হন্ডুরাসের আগে জাতীয় দলের হয়ে সর্বশেষ গোল করেছিলেন লাউতারো মার্তিনেজ। তারপর ম্যাচের পর ম্যাচ গেছে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগের এই ভরসার ওপর ভরসাই করে গেছেন লিওনেল স্কালোনি। অন্যরা পেয়েছেন গোল, কিন্তু লাউতারো পাচ্ছিলেনই না গোল। অথচ ইন্তার মিলানের হয়ে ঠিকই গোল করে যাচ্ছিলেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত বহু কাক্সিক্ষত গোলের দেখা পেলেন ‘দুশ্চিন্তায় থাকা’ লাউতারো। ফ্লোরিডায় কোস্টারিকার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের ৭৭ মিনিটে গোলটি করেন। ‘ হাল ছাড়িনি ও পরিশ্রম করে গিয়েছি বলেই গোল পেয়েছি। পাশে থাকার জন্য পরিবার ও সতীর্থদের ধন্যবাদ’, বলেছেন লাউতারো।
তবে ফ্লোরিডায় এদিন শুরুতেই পিছিয়ে পড়েছিল আর্জেন্টিনা। ৩৪ মিনিটে কোস্টারিকার স্ট্রাইকার ম্যানফ্রেড উগাল্ডে এগিয়ে দেন কোস্টারিকাকে। কিন্তু বিরতির পর ডি মারিয়া, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার এবং লাউতারোর গোল নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনার জয়।
কোপা পরীক্ষার আগে হোমওয়ার্কের অংশ হিসেবে এদিন এমিলিয়ানো মার্তিনেজের বদলে গোলবার সামলান অভিষিক্ত গোলরক্ষক ওয়াল্টার বেনিতেজ। প্রস্তুতি পর্ব শেষে আর্জেন্টিনা কোচের কাছে দলের হিসাবটা পরিষ্কার। বলেছেন, ‘আমি কারও জায়গার নিশ্চয়তা দিতে পারি না, শুধু একজন বাদে। সে এখানে নেই। আপনারা জানেন সে কে (মেসি)। আর হ্যাঁ, ফিদেও (ডি মারিয়া) থাকবে...তার থাকা নিশ্চিত।’
স্কালোনির একাদশের হয়ে মঙ্গলবার মাঠে নেমেছিলেন মিডফিল্ডার জিওভান্নি লো সেলসো। ৭২ মিনিটে তাকে তুলে নিয়ে রদ্রিগো ডি পলকে মাঠে নামান স্কালোনি। আর্জেন্টিনা দলে মিডফিল্ডারদের প্রাচুর্য নিয়ে বেশ সন্তুষ্ট স্কালোনি। ‘দলে সব সময়ই ভালো মিডফিল্ডার আছে। এজেকুয়েল (প্যালাসিওস) এই সফরে আসেনি। গিদো (রদ্রিগেজ) আপাতত বাইরে। থিয়াগো আলমাদা অনূর্ধ্ব-২৩ দলের সঙ্গে আছে। তাই দুশ্চিন্তার কিছু নেই। কারও পারফরম্যান্স খারাপ হলে তার বিকল্প আমাদের কাছে রয়েছে।’
