শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব হোক আল্লাহর জন্য

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৪৪ এএম

জীবনে চলার পথে কারও না কারও সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়ে যায়। মনের আবেগ আর শ্রদ্ধার কারণে জন্ম নেয় ভালোবাসা ও ভালোলাগা। ভালো মনের মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা হলে তা আমৃত্যু অটুট থাকে এবং মৃত্যুর পর সে ভালোবাসা স্থান করে নেয় আরশের ছায়াতলে। আর স্বার্থ ফুরিয়ে এলে ভেঙে যায় যে বন্ধুত্ব, হারিয়ে যায় যে ভালোবাসা, তা নিছক ছলনা এবং প্রবৃত্তির তাড়নামাত্র। যে বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি লাভের জন্য হয়, তা প্রকৃত অর্থেই বন্ধুত্ব এবং খাঁটি ভালোবাসা।

দুনিয়ার হীন স্বার্থ হাসিলের জন্য বন্ধুত্ব করা, বা প্রবৃত্তির চাদর মুড়িয়ে বন্ধুত্বের নামে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলার মানে হলো বন্ধুত্বকে স্বার্থ হাসিলের কৌশল হিসেবে ব্যাবহার করা। বাহ্যিকভাবে এটাকে বন্ধুত্ব মনে হলেও মূলত এভাবে দুনিয়া ও আখেরাতে অকল্যাণ ডেকে আনা হয়। যার কারণে দুনিয়ার জীবনে হতে হয় লাঞ্ছিত ও অপদস্থ। আর আখেরাতে তার শাস্তি তো আছেই। তাই আমাদের উচিত, সৎ ও নেক মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা রাখা। আর হ্যাঁ, তা অবশ্যই মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় হতে হবে। এমন বন্ধুত্বের ব্যাপারে হাদিসে অনেক সুসংবাদ শুনানো হয়েছে।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে এসেছে, ‘যেদিন আরশের ছায়া ছাড়া কোনো ছায়া থাকবে না, সেদিন আল্লাহতায়ালা সাত শ্রেণির মানুষকে নিজ অনুগ্রহে আরশের ছায়ায় স্থান দেবেন, তাদের চতুর্থ শ্রেণি হলো, ওই দুই ব্যক্তি যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে একে অন্যকে ভালোবাসে, তারই জন্য একত্র হয় এবং তারই জন্য পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়।’ -সহিহ বুখারি ৬৬০

আরেক হাদিসে এসেছে, ‘কিয়ামতের দিন আল্লাহতায়ালা বলবেন, আমার মহত্ত্বের জন্য যারা পরস্পরকে ভালোবেসেছে তারা কোথায়? আজ তাদের আমার বিশেষ ছায়ায় আশ্রয় দান করব। আজ তো এমন দিন, যেদিন আমার ছায়া ছাড়া অন্য কোনো ছায়া নেই।’ -সহিহ মুসলিম ৬৩১৫

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত