গাজায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানানো ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ উদ্ধার

  • ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের হাতে কাৎজিরের মৃত্যু হয়েছে দাবি ইসরায়েলি বাহিনীর
  • কাৎজিরের মৃত্যুর জন্য ইসরায়েলের সরকারকে দায়ী করছেন তার বোন পালতি কাৎজির
আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০২৪, ০১:০২ পিএম

গাজায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানানো হামাসের কাছে জিম্মি থাকা এলাদ কাৎজির মারা গেছেন। গতকাল শনিবার ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী তার মরদেহ উদ্ধার করেছে। এক ভিডিও বার্তায় গাজায় হামলা বন্ধ করতে ইসরায়েলের সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন ৪৭ বছর এলাদ।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের কিব্বুৎজ নির ওজ এলাকা থেকে তাকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে গিয়েছিলেন হামাস যোদ্ধারা। খবর রয়টার্স।

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর দাবি, শনিবার (০৬ এপ্রিল) রাতে গাজার খান ইউনিসে অভিযান চালানোর সময় কাৎজির মরদেহ উদ্ধার করেন ইসরায়েলি সেনারা। চিকিৎসকদের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর বিষয়টি তাঁর পরিবারকে জানানো হয়।

গোয়েন্দা তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে যে, ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের হাতে তার মৃত্যু হয়েছে এবং জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে খান ইউনিস এলাকায় তাকে কবর দেয়া হয়েছিল। তবে এ সম্পর্কে বিস্তারিত কোন তথ্য দেয়নি আইডিএফ।

এদিকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি হামাসের সহযোগী সংগঠন ইসলামিক জিহাদ।

এদিকে কাৎজিরের মৃত্যুর জন্য ইসরায়েলের সরকারকে দায়ী করছেন তার বোন পালতি কাৎজির। তার মতে, যুদ্ধবিরতির নতুন চুক্তিতে ইসরায়েল সরকার রাজি হলে তার ভাই জীবিত বাড়িতে ফিরে আসতেন।

জিম্মিদের নিয়ে গত জানুয়ারিতে একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে হামাস। সে ভিডিওতে কাৎজিরকে বলতে শোনা যায়, তিনি একাধিকবার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছেন। ওই ভিডিও বার্তার মাধ্যমে গাজায় হামলা বন্ধের জন্য ইসরায়েলের সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন কাৎজির। তিনি বলেছিলেন, গাজায় হামলা বন্ধ করে জিম্মিদের তাঁদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিন।

ইসরায়েলের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় নিহত হন প্রায় ১ হাজার ২০০ জন। এ ছাড়া ২৫৩ জনকে জিম্মি করে নিয়ে যায় হামাস। জিম্মিদের মধ্যে এখনো ১২৯ জনকে মুক্তি দেয়নি হামাস।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত