‘ব্যবধান গড়ে দিতে পারব বলেই এসেছি’

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৪৯ এএম

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে যোগ দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক লেগ স্পিনার মুশতাক আহমেদ। দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচের চেয়ারে বাঁ-হাতি স্পিনারদের প্রাধান্য। একটা সময় বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের প্রধান বৈশিষ্ট্যই ছিল তাই। তবে সময় বদলেছে। বদলেছে খেলার চাহিদাও। আধুনিক ক্রিকেটে বিশেষ করে টি-টোয়েন্টিতে লেগ স্পিনাররা হয়ে উঠেছেন তুরুপের তাস। এই জায়গায় বাংলাদেশ অনেকটাই পিছিয়ে। ব্যবধান কমিয়ে আনার স্বপ্ন নিয়েই ১৯৯২’র বিশ্বকাপজয়ী মুশতাককে দলের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে বিসিবি। কাল নিজের নতুন কর্মস্থলে এসে সহকর্মী এবং শিষ্যদের সঙ্গে পরিচিতি শেষে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বিসিবির ভিজ্যুয়াল কন্টেন্ট টিমকে। তারই চুম্বক অংশ দেশ রূপান্তরের পাঠকদের জন্য-

বাংলাদেশের কোচিং স্টাফের অংশ হতে পারা-

বাংলাদেশের ক্রিকেটের অংশ হতে পারাটা আমার জন্য অনেক গর্বের আর সম্মানের। আমি খুব আশাবাদী সামনের দিনগুলোর ব্যাপারে।

বাংলাদেশকে ঘিরে স্মৃতি-

আমার মনে আছে ১৯৯২ সালে বিশ্বকাপ জেতার পর পর, ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে বাংলাদেশ সফরে যে দলটা এসেছিল সেই দলে আমি ছিলাম। বাংলাদেশে আসতে সবসময়ই ভালো লাগে। এখানকার স্থানীয় মানুষ পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অনেক বড় ভক্ত। এখানে খেলতে সবসময়ই ভালো লাগে। এখানে সবসময় আমরা চমৎকার আতিথেয়তা পেয়েছি। এখানকার খাবার খুব সুস্বাদু। সবশেষ আমি খেলোয়াড় হিসেবে বাংলাদেশে এসেছিলাম ১৯৯৮ সালে।

বাংলাদেশে কোচিং করানো-

খুবই চ্যালেঞ্জিং। কোচিং স্কিলের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখলে এখানে কোচিং করানোটা গোটা বিশ্বের অন্য দেশগুলো থেকে আলাদা। এখানে আসলে একজনকে মানিয়ে নিতে হবে আর নিজ থেকে উদ্যোগী হতে হবে। মূলত এখানকার ক্রিকেটটা বুঝতে হবে। এখানে কোচিং করাতে হলে সবসময় কোচ হিসেবে ভালো করে যেতে হবে, বলা যায় সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে।

কতটা প্রভাব রাখতে পারবেন-

আমি বিশ্বাস করি, আমি স্পিন বোলিং বিভাগে ব্যবধান গড়ে দিতেই কোচ হিসেবে এসেছি। আমি মনে করি আমার যে জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা আছে সেসব আমি তরুণ খেলোয়াড় এবং পরিপক্ব ক্রিকেটারদের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে পারি। আশা করছি আমি ব্যবধান গড়ে দিতে পারব। আসলে সেই সব দলকেই কোচিং করানো যায় যারা কোচিং করানোর মতো। তরুণরা খুবই প্রতিভাবান ক্রিকেটার, আমার কাজ হবে তাদের কাছে আমার অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। আমি মনে করি এই দলটা (বাংলাদেশ) প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া, আমার বিশ্বাস তারা যে কোনো দলের জন্যই শক্ত প্রতিপক্ষ হওয়ার যোগ্যতা রাখে।

বোলিং বৈচিত্র্য-

এশিয়ার নেটে সবসময় একজন লেগস্পিনার, মিস্ট্রি স্পিনার এবং চায়নাম্যান থাকে। আমি মনে করি সেখানেই আমার অভিজ্ঞতা কাজে আসবে। আশা করছি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারব। আমরা ক্লাব এবং প্রথম শ্রেণির কোচদের সঙ্গে দেখা করতে পারি। আমরা লেগস্পিনার এবং চায়নাম্যান বোলার খুঁজে পেতে পারি। আপনার এমন স্পিনার থাকা দরকার যারা সাদা বলের ক্রিকেটে মাঝের ওভারে আপনাকে উইকেট তুলে দিতে পারে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত