বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

নতুন কান্ডারি

আপডেট : ২১ মে ২০২৪, ০২:৪৮ এএম

ইরানের সংবিধান অনুসারে, প্রেসিডেন্টের মৃত্যুর ক্ষেত্রে, প্রথমে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট দেশটির সর্বোচ্চ নেতার অনুমোদন সাপেক্ষে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। ফলে নিয়ম অনুযায়ী ৬৮ বছর বয়সী মোখবারই অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হওয়ার কথা।

ইরানের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন না, তাকে মনোনীত করা হয়। ১৯৮৯ সালে এ পদ সৃষ্টি করা হয়। তাকে প্রধানমন্ত্রীর কিছু ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় কোনো প্রেসিডেন্ট মারা গেলে ৫০ দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট বেছে নিতে নির্বাচন আয়োজন করে থাকে ইরানের তিন সদস্যের একটি পরিষদ। সেখানে প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোখবার ছাড়াও রয়েছেন পার্লামেন্টের স্পিকার ও বিচার বিভাগের প্রধান।

ইব্রাহিম রাইসির মতোই ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খামেনির ঘনিষ্ঠ মোখবার জন্মগ্রহণ করেন ১৯৫৫ সালের ১  সেপ্টেম্বর। ২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন রাইসি। দায়িত্ব নিয়েই মোখবারকে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দেন রাইসি। সংবিধান সংশোধনের পর সপ্তম ব্যক্তি হিসেবে মোখবার এ দায়িত্ব পেয়েছেন।

এই পদে নিয়োগ পাওয়ার আগে মোখবার ১৪ বছর ইরানের প্রভাবশালী একটি শিল্পগোষ্ঠী সেতাদের প্রধান ছিলেন। এটি মূলত দাতব্য কাজে মনোযোগী।

সংস্থাটি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সরাসরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। রয়টার্সের অনুসন্ধান অনুসারে, সেতাদের কয়েক বিলিয়ন ডলার মূল্যের সম্পদ রয়েছে।

পারমাণবিক বা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ২০১০ সালে ইরানের অন্যান্য কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মোখবারকেও নিষেধাজ্ঞা তালিকায় রেখেছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তবে দুই বছর পর ওই তালিকা থেকে তাকে বাদ দেওয়া হয়। ২০১৩ সালে সেতাদ ও ইরানের ৩৭টি কোম্পানিকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় যুক্ত করে মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত