মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

রাইসির মৃত্যুর পেছনে কোনো নাশকতা নেই

আপডেট : ২৬ মে ২০২৪, ০৬:২৪ এএম

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় গত সপ্তাহে নিহত হয়েছে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। গত রবিবার ওই দুর্ঘটনার পর নানা আলোচনার পর সেটি নিছক দুর্ঘটনা ছিল নাকি কোনো ধরনের নাশকতা ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তবে দেশটির সামরিক বাহিনী এক প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যু হয়েছে, তাতে কোনো নাশকতা বা হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তদন্তে প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের প্রকাশ করা প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, হেলিকপ্টারটির ধ্বংসাবশেষ গুলি বা এ ধরনের কিছুর কোনো চিহ্ন পরিলক্ষিত হয়নি, এটি উঁচু পার্বত্য এলাকায় বিধ্বস্ত হওয়ার পর বিস্ফোরণে আগুন ধরে যায়।

এ ছাড়া কন্ট্রোল টাওয়ার ও ফ্লাইট ক্রুদের কথোপকথনেও সন্দেহ করার মতো কোনো কিছু পাওয়া যায়নি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। অবশ্য তদন্ত এগিয়ে যাওয়ার পর আরও বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে বলে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অনেকগুলো বিমান বিধ্বস্তের ঘটনার কারণে ইরানের বিমান নিরাপত্তা রেকর্ড খুব দুর্বল। ইরানের বিমান বহরের অনেকগুলো আকাশযানই ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা হয়েছিল। তেহরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘদিন ধরে তারা পশ্চিমা দেশগুলো থেকে কোনো নতুন আকাশযান বা খুচরা যন্ত্রাংশ কিনতে পারছে না, ফলে বহরের আধুনিকায়নও করা যাচ্ছে না।

রাইসির মৃত্যুতে ইরান পাঁচ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করেছে। মৃত্যুর চার দিন পর গত বৃহস্পতিবার রাইসিকে শিয়া মুসলিমদের পবিত্র শহর মাশহাদে কবর দেওয়া হয়। এখন অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন। ২৮ জুন ভোটের মধ্য দিয়ে দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত